Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১২ জুলাই ২০২৬

এসি ঘরে বসে মদ্যপানের শখ, ফন্দি এঁটে হাসপাতালে হাজির রিকশাওয়ালা

তারপর...

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০১৮, ১১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০১৮, ১১:২৪

options
link
এসি ঘরে বসে মদ্যপানের শখ, ফন্দি এঁটে হাসপাতালে হাজির রিকশাওয়ালা zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, আসানসোল: এসিতে বসে মদ্যপানের শখ হয়েছিল রিকশাচালকের। কিন্তু পকেট তো গড়ের মাঠ। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পানশালায় বসে বিদেশি মদ পান করা আকাশকুসুম। তা বলে কি শখপূরণ হবে না? শেষপর্যন্ত মদ্যপানের জন্য হাসপাতালের এসি ইনডোরকেই বেছে নেয় পেশায় রিকশাচালক গণেশ ভুঁইয়া। শুক্রবার এমনই আজব কাণ্ডের সাক্ষী থাকল আসানসোল।

[শ্মশানে নড়ে উঠল হাত, ‘মৃত’ প্রৌঢ়াকে নিয়ে চাঞ্চল্য]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ডাবের খোলের ভিতর মদ ঢেলে হাসপাতালে ঢুকতে গিয়ে ধরা পড়ল গণেশ ভুঁইয়া। পেশায় ওই রিকশাচালক থাকেন আসানসোলের রাঙানিয়া পাড়ায়। হাসপাতালের ইনডোরে ঢোকার সময় নিরাপত্তারক্ষীদের জানিয়েছিলেন এক আত্মীয় ভরতি রয়েছে মেডিক্যাল বিভাগে। তাঁর জন্যই ডাব নিয়ে যাচ্ছে সে। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীদের সন্দেহ হওয়ায় ডাবের জল শুঁকতেই দেশি মদের গন্ধ বেরিয়ে আসে। ডাবের মধ্যে মদ রয়েছে অস্বীকার করার পর তল্লাশি করা হয় গণেশকে। পকেট থেতে বেরিয়ে আসে আধখাওয়া মদের বোতল। ধরা পড়ে নিজেকে বাঁচাতে হাতে পায়ে পড়তে শুরু করে সে। রিকশাওয়লার এই কাণ্ড দেখে ভিড় জমতে শুরু করে হাসপাতাল চত্বরে। কান ধরে ওঠবস করতে করতে গণেশ বলে সে কখনও আর এরকম করবে না। কিন্তু ততক্ষণে কেউ খবর দিয়ে দেয় পুলিশকে। আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ আটক করে থানা নিয়ে যায় মদ্যপ রিকশাচালককে।

ধরা পড়ার পর গণেশ জানিয়েছে সকাল থেকে তিনবার যাত্রী নিয়ে ভাড়া খেটেছেন। অথচ কাউন্টার থেকে বোতল কেনার পরেও সময় মতো খাওয়া হয়ে উঠছিল না। পকেটে পকেটেই ঘুরছিল মদের বোতল। শেষে রাঙানিয়া পাড়া থেকে এক রোগী পরিবার হাসপাতালের আউটডোরে দেখাতে আসে তার রিকশায় চেপে। হাসপাতালে ঢুকেই সে দেখে চারিদিকে এসি। রোগীর পরিবারের অনেকেই ডাব নিয়ে যাচ্ছে ভেতরে। তখনই মাথায় দুর্বুদ্ধি খেলে যায় তার। কুড়ি টাকায় ডাব কিনে জল খেয়ে নিয়ে আড়ালে ওই ডাবেই বোতলের মদ ঢেলে নেয় সে। কিন্তু সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায় হাসপাতালের বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী ধরে নেওয়ায়।

নিরাপত্তারক্ষী বলেন, “রিকশাচালকের মুখ থেকে গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল তাই তাঁর সন্দেহ হয়। তারপর জিজ্ঞেস করি কোন ওয়ার্ড ? রোগীর কি নাম? অসংলগ্ন উত্তর পেতেই ধরে ফেলি তাকে।” জানা গিয়েছে, পকেট থেকে যে মদের বোতলটি পাওয়া গেছে সেটির বৈধ তারিখ উত্তীর্ণ ছিল। হাসপাতালের সাইকেল গাড়ি স্ট্যান্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কার্তিক দাঁ জানান, জেলা হাসপাতাল ও সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে এখন কড়া নিরাপত্তা। চারদিকে সিসি ক্যামেরা। ইতিমধ্যেই হাসপাতালে ৫৪টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। তাই যদি ওই মদ্যপ রিক্সাওয়ালা ভিতরে ঢুকেও যেত তবুও ধরা পড়ত। হাসপাতাল সুপার নিখিলচন্দ্র দাস জানান, মদ্যপান করে ও আপত্তিকর জিনিস নিয়ে হাসপাতালে ঢোকা বেআইনি।

[ম্যাট্রিমনি সাইটে ‘বিলিতি ডাক্তার’-এর জালে তরুণী, খোয়ালেন ৬.৫ লক্ষ]

অঙ্কণ: রঙ্গন বন্দ্যোপাধ্যায়, অলঙ্করণ: অরুণাভ চট্টোপাধ্যায়

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.