Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬

‘১৫ দিন অনেক বেশি বলেছি’, ফের শালীনতার মাত্রা ছাড়ালেন রূপা

ধর্ষণ মন্তব্য ইস্যুতে অনড় বিজেপি নেত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৭, ০৯:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৭, ০৯:১৮

options
link
‘১৫ দিন অনেক বেশি বলেছি’, ফের শালীনতার মাত্রা ছাড়ালেন রূপা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘১৫ দিন তো বেশি বলে দিয়েছি।’ সংবাদ সংস্থা এএনআই-র সামনে ফের বিস্ফোরক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। পিছু হটবার পাত্রী যে তিনি নন তা শনিবার ফের স্পষ্ট করে দিলেন বিজেপি নেত্রী। বাইরে থেকে বাংলায় কোনও মহিলা এলে ১৫ দিনের মধ্যেই ধর্ষণের শিকার হবেন। গতকাল এমন মন্তব্য করে বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন রূপা। বসিরহাট থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি নিয়ে রাজ্য সরকারকে একহাত নিয়েছেন তিনি। তারপরই কড়া প্রতিক্রিয়া মেলে তৃণমূল শিবির থেকে। তাঁর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিজেপি নেত্রীকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘বাংলায় থেকে নেত্রী নিজে কতবার ধর্ষিতা হয়েছেন, সে কথা বরং সবার আগে ওঁর বলা উচিত।’


বসিরহাট অশান্তির মূলে থাকা সাম্প্রদায়িক শক্তিকে ভোট ব্যাঙ্ক রাজনীতির স্বার্থে আড়াল করছে রাজ্য সরকার। এমনটাই অভিযোগ বিজেপির। একাধিকবার তৃণমূল সরকারকে তীব্র সমালোচনায় বিঁধেছে বিজেপি। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগও দাবি করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্তর্দ্বন্দ্বে কিছুটা শক্তি খোয়ালেও ফের রাজ্যে প্রভাব বিস্তার করতে উঠেপড়ে লেগেছে গেরুয়া শিবির। বসিরহাট থেকে ধুলাগড়। প্রায় প্রতিটি বিষয়েই ঘূর্ণিঝড়ের মতো পৌঁছে যাচ্ছেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। কড়া সমালোচনা ও তীব্র ভাষার প্রয়োগে চরমে রাজনৈতিক তরজা। তবে কুরুচিকর ভাষার প্রয়োগে কাদা ছোড়াছুড়ি রাজনীতিবিদদের নৈতিক অধঃপতনের প্রমাণ বলেই মনে করছেন বিদ্বজ্জনেরা। রাজনৈতিক তরজায় আদতে মুখ পুড়ছে বাংলারই।

[‘ওঁর বরং বলা উচিত বাংলায় থেকে উনি কতবার ধর্ষিতা হয়েছেন’]

ভোটের স্বার্থে জাতীয় নিরাপত্তাকে অবহেলা করছে তৃণমূল সরকার বলে যেমন অভিযোগ, তেমনই রাজ্যে সাম্প্রদায়িক চাল চালার আরোপও রয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বিবৃতি দিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, ভোট ব্যাঙ্ক বজায় রাখতে হিন্দুদের উপর অত্যাচার করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এমনকি ক্ষমতার স্বার্থে দেশকে বিক্রি করে দিতেও পিছপা হবে না তৃণমূল সরকার। তবে যাই হোক না কেন রাজনৈতিক তরজার জেরে জনসমক্ষে প্রবল ধাক্কা খাচ্ছে বাংলার ছবি তা স্পষ্ট।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.