Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

রাজ্যের উদ্যোগে আরবি ভাষায় শিক্ষা, কলেজ স্থাপিত হল গঙ্গারামপুরে

উপকৃত হবে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৮, ১৫:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৮, ১৫:২৩

options
link
রাজ্যের উদ্যোগে আরবি ভাষায় শিক্ষা, কলেজ স্থাপিত হল গঙ্গারামপুরে zoom

রাজা দাস, বালুরঘাট: আরবি ভাষায় পঠনপাঠনে দক্ষিণ  দিনাজপুর জেলায় এই প্রথম একটি কলেজ তৈরির উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। আর্থিক বরাদ্দের পর, সোমবার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে কাজের সূচনা করেন  উত্তরবঙ্গ  উন্নয়ন  পর্ষদের সদস্য বিপ্লব মিত্র।  সংখ্যালঘু ছেলেমেয়েদের আরবি উচ্চশিক্ষার কথা মাথায় রেখেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই  প্রয়াস বলে জানান তিনি।

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার ৮ নম্বর বাসুরিয়া অঞ্চলে রয়েছে বাসুরিয়া হাই মাদ্রাসা।  সেখানে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে আরবি ভাষায় পড়াশুনা করে। কিন্তু  এই  ভাষাতে কোনও কলেজ কোর্স নেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। ফলে আরবি নিয়ে উচ্চশিক্ষা বা কোর্স করতে বাইরে যেতে  হয়  সংখ্যালঘু ছেলেমেয়েদের।  সেই কারণেই এবার রাজ্য সরকারের সংখ্যালঘু দপ্তরের পক্ষ থেকে বাসুরিয়া হাই মাদ্রাসার  পাশেই আরবি কলেজ ক্যাম্পাস গড়ে তোলার উদ্যোগ  নেওয়া হয়েছে।  এই কলেজ তৈরিতে বরাদ্দ হয়েছে  ৫ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কলেজ ক্যাম্পাস তৈরি হবে। এর ফলে উপকৃত হবে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে।

Advertisement

বায়ুসেনার ছাউনির কাছেই রহস্যজনকভাবে উদ্ধার ড্রোন, চাঞ্চল্য রাঙ্গাপানিতে ]

সোমবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন ক্যাম্পসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের সদস্য বিপ্লব মিত্র। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর বাসুরিয়া অঞ্চলের প্রধান রোশনেওরা মণ্ডল,  গঙ্গারামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মাখনলাল বসাক, মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হান্নান মিঞা এবং সমাজসেবী সাদ্দুল মিত্র-সহ অন্যরা।

উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের  সদস্য বিপ্লব মিত্র বলেন, সাচার কমিটির রিপোর্ট  দেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংখ্যালঘু ছেলেমেয়েদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করা মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্য।  সেই কারণেই এই কলেজ তৈরি হচ্ছে।  এর আগে এখানকার সিনিয়র মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাঁর কাছে একটি কলেজ তৈরি করার আবেদন জানিয়েছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতেই সরকারের পক্ষ থেকে সম্মতি মিলেছে ও অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এর ফলে  জেলার সংখ্যালঘু  ছেলেমেয়েরা আরবি ভাষায় উচ্চশিক্ষা নিতে পারবেন বলে জানান বিপ্লব মিত্র।

ছবি: প্রতিবেদক

কোচিং সেন্টারের সামনে হট্টগোল, গৃহশিক্ষকের মারে জ্ঞান হারাল ছাত্র ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.