Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
করোনা জয়ী

একসঙ্গে ৩৬ জন করোনা জয়ীর ছুটি, পুষ্পবৃষ্টি-শঙ্খধ্বনিতে সংবর্ধনা দিলেন প্রশাসনিক কর্তারা

চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের করোনার বিরুদ্ধে লড়াইকেও কুর্নিশ জানানো হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২০, ১৯:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২০, ১৯:৫১

options
link
একসঙ্গে ৩৬ জন করোনা জয়ীর ছুটি, পুষ্পবৃষ্টি-শঙ্খধ্বনিতে সংবর্ধনা দিলেন প্রশাসনিক কর্তারা zoom

মনিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: ৩৬ জন‌ করোনা জয়ীর এক সঙ্গে ছুটি হল শুক্রবার। উলুবেড়িয়ার ফুলেশ্বরের সঞ্জীবন কোভিড হাসপাতাল থেকে ওই ৩৬ জন করোনা জয়ীর ছুটি হয়। কলকাতার বাঙ্গুরের পর এবার ফুলেশ্বরের সঞ্জীবন হাসপাতাল একসঙ্গে এত জন করোনা আক্রান্তকে সুস্থ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। পাশাপাশি পুষ্পবৃষ্টি, শঙ্খধ্বনি, রবীন্দ্র সংগীতের মাধ্যমে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয় করোনা জয়ীদের এবং চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের করোনার বিরুদ্ধে লড়াইকেও কুর্নিশ জানানো হয়। এদিনও করোনা জয়ীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্য, হাওড়ার গ্রামীণ এলাকার পুলিশ সুপার সৌম্য রায়, বিধায়ক পুলক রায়, ইদ্রিস আলি, উলুবেড়িয়ার মহকুমা শাসক তুষার সিংলা, হাসপাতালের ডিরেক্টর শুভাশিস মিত্র প্রমূখ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৬ জনের মধ্যে ১৮ জন পুরুষ ও ১৮ জন মহিলা রয়েছেন। এদিন বিকেলে অ্যাম্বুল্যান্সে চেপে করোনা জয়ীরা বাড়ির পথে রওনা হন। একের পর এক ১৪টা অ্যাম্বুলান্স হাসপাতাল থেকে ছেড়ে যায়। তার আগে স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা জয়ীদের অভিবাদন জানাতে উদ্যোগী হন। তারা হাসপাতাল থেকে বেরোনোর রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে যান। একের পর এক অ্যাম্বুলান্স ছাড়লে স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের উপর পুষ্পবৃষ্টি করেন, কেউ কেউ শঙ্খধ্বনি দিতে শুরু করেন। আবার কারও কন্ঠ গেয়ে ওঠে রবীন্দ্র সংগীত। এদিন করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন হাওড়ার এক বছরের খুদে ইসু জয়সওয়াল (১) তেমনি সেই দলে রয়েছেন হাওড়ার অশীতিপর বৃদ্ধা চন্দ্রাবতী দেবী (৭৫)।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভিনরাজ্য থেকে পুরুলিয়ায় ফিরলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা, কোয়ারেন্টাইনে অধিকাংশ]

শুক্রবার সঞ্জীবন হাসপাতালের সামনের পরিবেশটাই অন্য দিনের তুলনায় অনেকটাই আলাদা ছিল। অন্যান্য দিনের এই রাস্তা শুনশান থাকে। এদিন তা ছিল কোলাহল পূর্ণ। প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগেই এই হাসপাতালে থেকে সদ্যোজাত সন্তানকে নিয়ে করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক মহিলা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.