BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

খুলল সরকারি রেস্তোরাঁ, হাজির পঞ্চব্যঞ্জনের ডালি

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 21, 2016 1:43 pm|    Updated: June 21, 2016 1:43 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: বাঙালির রসনাতৃপ্তিতে ‘ভজহরি মান্না’-র ভূমিকায় রাজ্য সরকার৷ মৌরলা, ট্যাংরা, চিংড়ি থেকে কোয়েলের মাংস, হ্যাম– সবই মিলবে৷ সঙ্গে গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি চালের ভাত, সোনা মুগের ডাল৷ থালি নিয়ে হাজির ‘ক্যাভিয়ার’৷ সোমবার প্রথম রেস্তোরাঁ খুলে গেল বিধাননগরে৷ এর পর গন্তব্য আলিপুর, বর্ধমান, বারুইপুর৷
চলতি বছরেই অধিকাংশ জেলা সদরে বাংলা পঞ্চব্যঞ্জনের ডালি নিয়ে হাজির হবে সরকার৷ এতদিন রাজ্য প্রাণিসম্পদের লাইভ স্টক দফতর কাঁচামাল বিক্রি করত৷ কোয়েলের মাংস থেকে হ্যাম– সবই মিলত৷ কিন্তু এবার মিলবে রান্না করা খাবার৷ আর পাঁচটা হোটেলের মতোই এখানে বসে খেতে পারবেন সবাই৷ এই প্রকল্পের উদ্যোক্তা একযোগে মৎস্য দফতর, মাদার ডেয়ারি, কৃষি ও কৃষি বিপণন, প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন দফতর৷ বিধাননগরে প্রাণিসম্পদ বিকাশের প্রধান কার্যালয়ে প্রথম রেস্তোরাঁটি উদ্বোধন করে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী চেয়েছিলেন দফতরের আয় বাড়াতে৷ মানুষের কাছে উৎপাদনগুলি পৌঁছে দিতে৷ পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃ‌দ্ধি করতে৷ তাই এই প্রকল্প৷”

sorkarirestaurant_web
রাজ্যে মাদার ডেয়ারির অনেকগুলি বিক্রয় কেন্দ্র ছিলই৷ প্রাণিসম্পদেরও কাউন্টার ছিল৷ সুফল বাংলার স্টলও চালু করেছিল রাজ্য৷ কোয়েলের মাংস, ডিম, হ্যাম, নানারকম ফার্স্ট ফুডের কাঁচা পসরা নিয়ে হাজির ছিল সরকার৷ তুলাইপাঞ্জি, গোবিন্দভোগও তো বিপণনে নেমেছিল সরকার৷ ফলও মিলছিল৷ কৃষকদের লাভ হচ্ছিল৷ আয় বাড়ছিল সরকারেরও৷
কিন্তু এবার নীতি বদলে আরও বাণিজ্যিকীকরণের পথে হাঁটল সরকার৷ কেননা অভিজ্ঞতা বলছে, কাঁচামালের চেয়েও রান্না করা হাতে গরম খাবারের চাহিদা বাড়ছিল৷ তাই এবার রেস্তোরাঁর দরজা খুলে দেওয়া হচ্ছে৷ লক্ষ্য শুধু মহানগর নয়, জেলাও৷ লাইভ স্টক ডেভেলপমেণ্ট কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর গৌরীশঙ্কর কোনার বলেছেন, “দ্বিতীয় রেস্তোরাঁটি হবে আলিপুরে৷ তারপর বর্ধমান, বারুইপুর, শিলিগুড়িতে যাব আমরা৷ মৌরলা, ট্যাংরা, ইলিশও পাবেন৷ পুরোদস্তুর বাংলার ঘরোয়া স্বাদ মিলবে৷”
মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেছেন, “রেস্তোরাঁ হলে চাহিদা বাড়বে৷ চাষিরা আরও বেশি তাঁদের পণ্য বিক্রি করতে পারবেন৷ দফতরের আর্থিক সমৃ‌দ্ধি হবে৷ রেস্তোরাঁয় তো লোক লাগবে৷ ফলে কর্মসংস্থান হবে৷ স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকেও কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে৷”
এ দিনের অনুষ্ঠানে বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত উপস্থিত ছিলেন এবং এই ধরনের কয়েকটি প্রকল্প তাঁর পুর এলাকায় গড়ার প্রস্তাব দিয়েছেন৷ তাঁর কথায়, “খুবই আকর্ষণীয় উদ্যোগ৷ মানুষ খুবই খুশি হবেন৷ কেন না রসনাতৃপ্তির চেয়ে বাঙালির কাছে বড় কিছুই নেই৷”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement