সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাগাতার আন্দোলনের জের। SBSTC-এর অস্থায়ী কর্মীরা এবার থেকে মাসে ২৬ দিন কাজ করবেন। এমনই প্রতিশ্রুতি দিলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী (Snehashish Chakraborty)। মিডিয়াতে নিজের বক্তব্য পেশ করে আন্দোলনকারীদের দাবি যথাসাধ্য মেটানোর আশ্বাস দেন তিনি। আরজি জানান অবিলম্বে আন্দোলন তুলে নেওয়ার। যদিও লিখিত বিবৃতি না পেলে আন্দোলন উঠবে না বলেই জানিয়েছেন আন্দোলনকারীদের একাংশ।
২০১৩ সাল থেকে যাঁরা বাস চালাচ্ছেন, তাঁদের স্থায়ীকরণ, মাসে ২৬ দিন কাজ, ছুটি-সহ অন্যান্য একাধিক সুবিধার দাবিতে আন্দোলনে নামেন এসবিএসটিসির অস্থায়ী কর্মীরা। হলদিয়া, দিঘা, মেদিনীপুর, সিউড়ি, রামপুরহাট, বর্ধমান, দুর্গাপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় অনির্দিষ্টকালের জন্য শুরু হয় বাস ধর্মঘট। এই ধর্মঘটের জেরে আন্তঃজেলা বাস পরিষেবা কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায়। পুজোর মুখে প্রবল সমস্যায় পড়তে হয় রাজ্যবাসীকে। এদিকে যে বাস কর্মীরা নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিলেন, তাঁরা সাফ জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন চলবে।
[আরও পড়ুন: পুজোর মুখে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা, গত ২৪ ঘণ্টায় পজিটিভিটি রেট প্রায় সাড়ে ৫%]
এই আন্দোলনের জেরে পুজোর মুখে প্রবল সমস্যায় পড়তে হয় আমজনতাকে। এই পরিস্থিতিতে সোমবার সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিলেন পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। এদিন তিনি বলেন, “আমি আশ্বাস দিচ্ছি মাসে ২৬ দিন কাজ থাকবে। বাকি যা দাবি রয়েছে, আমার পক্ষে যতটা সম্ভব আমি করব।” পুজোর পর আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
এদিকে মন্ত্রীর আশ্বাসের পর আন্দোলনকারীদের একাংশ জানিয়েছে তাঁরা পরিষেবা চালু করবেন। অনেকে বলেন, মন্ত্রীর বিবৃতি লিখিতভাবে হাতে পাওয়ার পরই তারা ভেবে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, সোমবারই পথে নামবে বাস।
[আরও পড়ুন: পাঁচ খিলানের ঠাকুরদালান, বেলজিয়াম কাঁচের ঝাড়বাতি, সুরুল জমিদারবাড়ির পুজো আজও সাবেকিয়ানায় মোড়া]
সর্বশেষ খবর
-
‘হুজুগ’ বলেছিল তৃণমূল, অভয়া কাণ্ডের দু’বছর পর ফের ১৪ আগস্ট ‘রাত দখলে’র ডাক অগ্নিমিত্রার
-
তৃণমূল সাংসদরা পিছনের সারিতে কেন, দলত্যাগীদের পদ খারিজ কবে? স্পিকার সাক্ষাতে প্রশ্ন অভিষেকদের
-
‘জীবনে শর্টকাট নিও না…’, রিলপ্রেমী জেন জি’দের নয়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর
-
২৫ সপ্তাহেই প্রসব যন্ত্রণা! শান্তিপুরে একসঙ্গে চার সন্তানের মা হলেন বধূ, তারপর…
-
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে স্রেফ হাসিনা-কেন্দ্রিক করে লাভ নেই