১৫ মাঘ  ১৪২৮  শনিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা না করোনা? বাড়ছে ধন্দ, RT-PCR-এর বিকল্পের খোঁজে বিজ্ঞানীরা

Published by: Kishore Ghosh |    Posted: January 9, 2022 12:57 pm|    Updated: January 9, 2022 10:34 pm

Scientists now looking for alternatives of RTPCR Test | Sangbad Pratdin

গৌতম ব্রহ্ম: প্রশ্নের মুখে এবার আরটি পিসিআর (RT-PCR) টেস্ট? খোদ আমেরিকাতেই (USA) এবার করোনার (Corona virus) গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড পরীক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন বিজ্ঞানীরা। মার্কিন ‘সিডিসি’ তো জানিয়েই দিয়েছে, করোনা নির্ণয়ের জন্যে আরটি পিসিআর-এর বিকল্প পদ্ধতি খুঁজে বের করতে হবে। এবং তা করতে হবে ইনফ্লুয়েঞ্জা মরশুম শুরুর আগে। যুদ্ধকালীন তৎপরতা শুরু হয়েছে। এ দেশের বিজ্ঞানীদের মনেও প্রশ্ন, কী হবে বিকল্প?

আসলে করোনা ভাইরাসের নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট যেহেতু আরটি পিসিআর ভিত্তিক ডায়াগনোসিসকে বুড়ো আঙুল দেখাতে শুরু করেছে, সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। খোঁজ চলছে আরও ভরসাযোগ্য টেস্ট-এর। এর উপর ইনফ্লুয়েঞ্জা শুরু হওয়ায় সঠিক রোগ নির্ণয় চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এমতাবস্থায় অন্য জিন নির্ভর টেস্ট পেতে হবে যা করোনা ভাইরাসকে চিহ্নিত করবেই, সেই সঙ্গে ইনফ্লুয়েঞ্জার সঙ্গে পার্থক্য তুলে ধরবে।

[আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত সংসদের চারশোর বেশি কর্মী, বাজেট অধিবেশন নিয়ে প্রশ্ন]

করোনা মহামারী শুরুর পর আরটি পিসিআর পরীক্ষা পদ্ধতিকে জরুরি অনুমোদন দেওয়া হয়। ভাইরোলজিস্টদের পর্যবেক্ষণ, বিজ্ঞানে এমন হওয়াই দস্তুর। এক জিনিসকে আঁকড়ে থেকে এগোনো যায় না। ভাইরাস যেমন নিজেকে পরিবর্তন করছে, তাকে ধরবার জন্য পরীক্ষা পদ্ধতিও পাল্টানোর প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। আরটি পিসিআর-এর মতো ন্যাট গোত্রের (নিউক্লিক অ্যাসিড আম্প্লিফিকেশন ) টেস্ট ছাড়া আরও আছে। যেমন- ল্যাম্প (লুপ মেডিয়েটেড আইসো থার্মাল আম্প্লিফিকেশন), এসডিএ (স্ট্র্যান্ড ডিসপ্লেসমেন্ট আম্প্লিফিকেশন), ট্রু ন্যাট ইত্যাদি।

[আরও পড়ুন: ভ্যাকসিনেও বাগে আসছে না সংক্রমণ! ৮১ শতাংশ ওমিক্রন আক্রান্তই টিকার ডবল ডোজ প্রাপ্ত]

এগুলি আসলে বহুমুখী রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা, যাতে অন্য সমগোত্রের ভাইরাসও ধরা যায়। এমনটাই জানিয়েছেন ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. সিদ্ধার্থ জোয়ারদার। তিনি বলেন, আমেরিকায় ইনফ্লুয়েঞ্জা সিজন আসছে বলে এফডিএ তাদের স্বীকৃত ল্যাবরেটরিগুলোকে বিকল্প ন্যাট পদ্ধতির হদিশ দিতে বলেছে। যাতে করোনা ও ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস একই মেশিনে নির্ণয় ও পৃথক করা যায়। এতে দুটো কাজ হবে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলো, যেগুলো আরটি পিসিআরকে ফাঁকি দিচ্ছিল, তা ধরা যাবে। অন্য দিকে এক পরীক্ষা ব্যবস্থাতেই এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস ধরা পড়লে খরচ ও সময় বাঁচবে।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে