Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
duare sarkar

বন্দুক হাতে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে উপপ্রধানের নিরাপত্তারক্ষী! শোরগোল তারকেশ্বরে

ক্যাম্পে সব দলের নেতা-কর্মীর প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৫, ১৯:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৫, ১৯:১৮

options
link
বন্দুক হাতে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে উপপ্রধানের নিরাপত্তারক্ষী! শোরগোল তারকেশ্বরে zoom

সুমন করাতি, হুগলি: বন্দুক হাতে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে উপপ্রধানের নিরাপত্তারক্ষী! যা নিয়ে শোরগোল তারকেশ্বরে। ক্যাম্পে আসা সাধারণ মানুষের দাবি, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বও বাঁধে। তারপরই নাইটামাল পাহাড়পুর পঞ্চায়েত উপপ্রধান শেখ মণিরুলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মী বন্দুকবার করেন বলে অভিযোগ। যদিও সবটাই অস্বীকার করেছেন উপপ্রধান। তাঁর দাবি কোনও গোষ্ঠী কোন্দল নয়। বিজেপির কর্মীরা বাধা দিতে ঝামেলা তৈরি হয়। আর বন্দুক ছিনতাই হতে পারত সেই আশঙ্কায় তাঁর রক্ষী বন্দুকবার করেছেন।

তারকেশ্বরের নাইটামাল পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষুদ্ররামপুর হাই স্কুলে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বসেছে। সকাল থেকে পরিষেবা পেতে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল। ক্যাম্প শুরু হতেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ শুরু হয় বলে অভিযোগ। মূলত সাধারণ মানুষকে ক্যাম্প থেকে তৃণমূলের কোন গোষ্ঠী পরিষেবা দেবে এই নিয়ে বিধায়ক রামেন্দু সিংহ রায় ও উপপ্রধান মণিরুলের গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ চরমে ওঠে বলে দাবি একাংশের।

Advertisement

দুই পক্ষের মধ্যে লাঠালাঠি হয় বলেও দাবি। সেই সময় মণিরুলের নিরাপত্তারক্ষী বন্দুক বার করে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে আসেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সিআই তারকেশ্বর ও বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন আধিকারিকরা। কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের ক্যাম্পের ভিতরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃষানু রায় বলেন, “একটা ঝামেলা হয়েছিল নিজেদের মধ্যে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। তবে ক্যাম্পের মধ্যে রাজনৈতিক কোনও নেতা কর্মীকে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুলিশ মোতায়েনের পর আমার দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প শুরু হয়।”

উপপ্রধান শেখ মণিরুল বলেন, “কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নয়। এখানে তৃণমূল কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই। বিজেপি কর্মীরা এই কাজ করেছে। বিরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় এই কাজ করেছেন। তিনি যদি এখন বিধায়ক গোষ্ঠীর হয়ে থাকে তাহলে আমার কিছু জানা নেই, তা বিধায়কই ভালো বলতে পারবে।” তাঁর নিরাপত্তারক্ষী বন্দুকবার করেছিলেন প্রশ্ন করতেই উপপ্রধান বলেন,”ধাক্কাধাক্কির সময় ওঁর বন্দুক ছিনতাইয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তা বাঁচাতেই বন্দুক হাতে নিয়ে নেয় রক্ষী।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.