Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

৬০০ টাকার বাইক বুকিংয়ে ঘুষ ১৬০০ টাকা, ক্লার্কের কুকীর্তিতে মাথা হেঁট রেলের

বরখাস্ত শ্রীরামপুরে রেলের পার্সেল ক্লার্ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ১৫:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ১৫:৪৭

options
link
৬০০ টাকার বাইক বুকিংয়ে ঘুষ ১৬০০ টাকা, ক্লার্কের কুকীর্তিতে মাথা হেঁট রেলের zoom

সুব্রত বিশ্বাস: ফের বিতর্কে রেল। এবার সামনে এল রেলের ঘুষকাণ্ড। অভিযুক্ত খোদ রেলের কর্মীই। নিয়মানুযায়ী পুরনো মোটর সাইকেল রেলে বুকিং করতে লাগে ৬০৬ টাকা। কিন্তু সেটা করতেই এক ব্যক্তিকে রেলের পার্সেল ক্লার্ককে দিতে হল ১৫৯৫ টাকা ঘুষ। ওই রেলকর্মী অভিযোগকারী ব্যক্তিকে জানান, এটাই নাকি রেলের অলিখিত আইন। শেষপর্যন্ত অবশ্য ঘুষের টাকা গুনে বুকিং করে নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারেননি রিষড়ার বাসিন্দা অমরেশ সিং। শ্রীরামপুরের পার্সেল ক্লার্ক পিন্টু ভৌমিকের এই কু-কীর্তির ফিরিস্তি দিয়ে তিনি মেলে অভিযোগ জানান রেল কর্তাদের কাছে। আর এরপরই বরখাস্ত করা হয় অভিযুক্ত ওই পার্সেল ক্লার্ককে।

[শহরে মাদক চোরাচালানের রমরমা, অনলাইনে বিকোচ্ছে চরস-কোকেন!]

জানা গিয়েছে, বুধবার আসানসোল থেকে জনশতাব্দী ধরে হাওড়া আসেন অভিযোগকারী। উদ্দেশ্য, পরিবারকে নিয়ে ওই ট্রেনেই ফিরে যাবেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামের চিফ পাবলিক কমপ্লেন ইন্সপেক্টর সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় ও তুফান চক্রবর্তী। অভিযোগকারী অমরেশ সিংকে ফোন করে তাঁরা জানতে পারেন, জনশতাব্দী ধরেই তিনি আসানসোল ফিরে যাচ্ছেন। সময় বুধবার দুপুর দুটো। ৫ মিনিট বাদেই ট্রেনটি ছাড়ার কথা হাওড়া থেকে। সেই অবস্থায় ট্রেনটিতে ওঠেন দুই ইন্সপেক্টর। অমরেশের অভিযোগে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। এর পরেই অভিযুক্ত শ্রীরামপুরের পার্সেল ক্লার্ক পিন্টু ভৌমিককে সাসপেন্ড করা হয়।

Advertisement

[দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের কাছে উদ্ধার বোমা, এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য]

ঘটনা প্রসঙ্গে অমরেশ সিং জানিয়েছেন, তিনি মঙ্গলবার বাঘ এক্সপ্রেসে শ্রীরামপুর থেকে একটি মোটর সাইকেল বুকিং করেন। গন্তব্য আসানসোল। পার্সেল ক্লার্ক পিন্টু ভৌমিক এই বুকিং এর জন্য ১৫০০ টাকা ঘুষ চান। এর কমে বুকিং হবে না বলে তিনি স্পষ্টভাবে জানান। নিরুপায় হয়ে তিনি ২০০০ টাকার নোট দেন। বুকিং বাবদ ৬০৬ টাকার রসিদ দিলেও বাকি ১৫৯৪ টাকা নিজের পকেটে পুরে নেন পিন্টু। ১৫০০ টাকা ঘুষ চাইলেও বাড়তি ৯৪ টাকাও তিনি না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হন অমরেশবাবু। তিনি মেলে রেল আধিকারিকদের কাছে এই মর্মেই অভিযোগ জানান। শুরু হয় তদন্ত। কিন্তু অভিযোগকারীর লেখায় স্বাক্ষর দরকার। বুধবার আসানসোল থেকে হাওড়া আসেন অমরেশবাবু পরিবারের অন্য সদস্যদের নিতে। তখনই ট্রেনের মধ্যে তাঁর স্বাক্ষর নেওয়া হয়। অমরেশবাবুর অভিযোগ, বুকিং চার্জের প্রায় তিনগুণ ঘুষ, ভাবাও যায় না।পার্সেল ক্লার্কদের এই অত্যাচার নতুন নয়, বুকিং করতে ঘুষ, পণ্য সময়মতো পাঠাতে গেলে দিতে হয় ঘুষ। এমনকী পণ্য ছাড়াতেও দিতে হয় ঘুষ। এই পরিস্থিতিতে কে আর রেলে পণ্য বুকিং করতে চাইবে? উঠছে প্রশ্ন।

[প্রসবের পর পায়ুছিদ্র সেলাই! চিকিৎসকের ভুলে প্রাণসংশয় মহিলার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.