Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
SIR in Bengal

ছেলে, বউমা-সহ পরিবারের ১১ জনকে SIR শুনানিতে তলব! আতঙ্কে মৃত্যু নামখানার আবদুলের

২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে পরিবারের চারজনের। তারপরও পরিবারের ১১ জন সদস্যকে এসআইআরের শুনানির জন্য ডাকা হয়! সেই কথা জানার পরেই দুশ্চিন্তায় মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল বৃদ্ধের। একাধিক কাগজপত্র খোঁজাখুঁজিও করেছিলেন। মানসিক চাপ আর নিতে পারেননি তিনি, এমনই দাবি পরিবারের সদস্যদের। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৪:১৬

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৪:১৬

options
link
ছেলে, বউমা-সহ পরিবারের ১১ জনকে SIR শুনানিতে তলব! আতঙ্কে মৃত্যু নামখানার আবদুলের zoom

২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে পরিবারের চারজনের। তারপরও পরিবারের ১১ জন সদস্যকে এসআইআরের শুনানির জন্য ডাকা হয়! সেই কথা জানার পরেই দুশ্চিন্তায় মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল বৃদ্ধের। একাধিক কাগজপত্র খোঁজাখুঁজিও করেছিলেন। মানসিক চাপ আর নিতে পারেননি তিনি, এমনই দাবি পরিবারের সদস্যদের। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। এসআইআর আতঙ্কেই তিনই মারা গিয়েছেন, এমনই দাবি পরিবারের। মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানায়। মৃতের নাম আবদুল আজিজ।

জানা গিয়েছে, ৬২ বছর বয়সী আবদুল আজিজের বাড়ি নামখানার মৌসুনি গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিয়াড়া এলাকায়। বৃদ্ধের ছয় ছেলে ও তিন মেয়ে। প্রত্যেকেরই বিয়ে হয়ে গিয়েছে। প্রত্যেকেরই ভোটার, আধার কার্ড-সহ অন্যান্য কাগজপত্র রয়েছে বলে খবর। এছাড়াও ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আবদুল শেখ, তাঁর স্ত্রী, বড় ছেলে ও বড় বউমার নাম রয়েছে। বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফর্মফিলাপও করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা।

Advertisement

কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে তাল কাটে ওই পরিবারে। কারণ, ওই পরিবারের মোট ১১ জনের এসআইআরের শুনানিতে ডাক পেয়েছেন! আবদুলের ছেলে, তিন বৌমা ও তিন নাতি-নাতনিকে শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়। সেই কাগজ হাতে পেয়েই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন আবদুল। দিন কয়েক ধরে বাড়িতেই বিভিন্ন কাগজপত্র খোঁজাখুঁজি করছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে গ্রামের বাজারে গিয়েও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। ভয়ে কান্নাকাটিও করেছিলেন তিনি, এমনই জানা গিয়েছে। শুক্রবার রাতে বাড়ি ফিরেছিলেন তিনি। রাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। মারা গিয়েছেন ওই বৃদ্ধ।

শেখ পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা এই এলাকায় বসবাস করছেন। তা সত্ত্বেও হিয়ারিংয়ে তাঁদের ডাক এসেছে। সেই আতঙ্কেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আবদুল শেখের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানতে পেরে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.