Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
SIR in West Bengal

SIR নোটিসে সন্তানের সংখ্যা দেখেই হার্ট অ্যাটাক! মুর্শিদাবাদে আকশত আলির মৃত্যুতে চাঞ্চল্য!

ওই ব্যক্তির পাঁচ ছেলে, তার মধ্যে চারজন কর্মসূত্রে কেরলে থাকেন। আর মেজো ছেলে থাকেন সৌদি আরবে। সবাইকেই নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাদের শুনানির দিন হল ২৭ জানুয়ারি।

Advertisement
অতুলচন্দ্র নাগ
অতুলচন্দ্র নাগ

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৫:২১

link
অতুলচন্দ্র নাগ
অতুলচন্দ্র নাগ

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৫:২১

options
link
SIR নোটিসে সন্তানের সংখ্যা দেখেই হার্ট অ্যাটাক! মুর্শিদাবাদে আকশত আলির মৃত্যুতে চাঞ্চল্য! zoom
মৃত আকসাদ আলি মণ্ডল।

কর্মসূত্রে পাঁচ ছেলেই থাকেন বাইরে। কিন্তু কমিশনের পাঠানো নোটিশে উল্লেখ ছয়ের বেশি নাকি সন্তান রয়েছে! এমন নোটিস পাওয়ার পর থেকেই চরম আতঙ্কে ভেঙে পড়েন একাকী বৃদ্ধ। এরপরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তড়িঘড়ি স্থানীয় সাদিখাঁরদিয়াড় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক দেখে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের দাবি, এসআইআর (SIR in West Bengal) নোটিস পাওয়ার পর থেকেই আতঙ্কে ছিলেন। ছেলেরা কীভাবে আসবেন, ব্লক অফিসে কিভাবে উপস্থিত হতে হবে, কী কী কাগজ লাগবে? এই সমস্ত ভাবনায় মানসিক চাপ থেকে অসুস্থ হয়েই মৃত্যু বলে দাবি পরিবারের। 

মঙ্গলবার সকালের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জলঙ্গির নওদাপাড়ায়। মৃত ওই ব্যক্তির নাম আকসত আলি মণ্ডল (৫২)। পরিবারের অভিযোগ, ছেলেদের নামে এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস আসে। যেখানে ছয়ের বেশি সন্তান আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর থেকেই তিনি ক্রমশ ভেঙে পড়ছিলেন। পরিবারের দাবি, ওই আতঙ্ক ও মানসিক চাপ থেকেই তাঁর অসুস্থতা এবং শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে। মৃতের স্ত্রী সরিফা বিবি জানান “দিন তিনেক আগে ওই নোটিস আসে, তার পর থেকেই আতঙ্কে ছিলেন স্বামী।” এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

Advertisement

যুব কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক ইসুফ আলি বলেন “এসআইআরের (SIR in West Bengal) নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে, তা অমানবিক, তারই ফল আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি। একজন নিরীহ মানুষ ভয় আর দুশ্চিন্তায় প্রাণ হারালেন। এই ঘটনার পূর্ণ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির পাঁচ ছেলে, তার মধ্যে চারজন কর্মসূত্রে কেরলে থাকেন। আর মেজো ছেলে থাকেন সৌদি আরবে। সবাইকেই নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাদের শুনানির দিন হল ২৭ জানুয়ারি। কেরোলের চার ছেলে আসার জন্য টিকিট কাটলেও , সৌদিতে যিনি আছেন তিনি আসতে পারবেন না। তাছাড়া বৃদ্ধকে পাঠানো নোটিসে  ছেলের সংখ্যা বেশি  দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ। যা তাঁর অতঙ্কের অন্যতম কারণ ছিল বলে জানিয়েছেন সাদিখাঁরদিয়াড় পঞ্চায়েতের প্রধান মহবুল ইসলাম।

ওই ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে এসআইআর সংক্রান্ত নোটিশ প্রক্রিয়া মানবিকভাবে পরিচালনা করা হোক, যাতে আর কোনও সাধারণ মানুষ এমন আতঙ্কের শিকার না হন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.