Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
SIR

ডাকের নাম SIR! অগত্যা ৭ সন্তান ও নথিভর্তি ট্রাঙ্ক মাথায় করে শুনানি কেন্দ্রে হাজির সইফুদ্দিন!

নথিভর্তি ট্রাঙ্ক মাথায় করে শুনানি কেন্দ্রে পৌঁছলেন প্রৌঢ়! ৭ সন্তানের ডাক পড়েছে ওই প্রৌঢ়ের। তাঁকেও তলব করা হয়েছে। পরিবারের নথিপত্র ওই ট্রাঙ্কের মধ্যেই থাকে। সেজন্য গন্ধমাদন পর্বতের মতো ট্রাঙ্কই মাথায় নিয়েই হাজির হলেন তিনি।

রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৮:২৫

link
রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৮:২৫

options
link
ডাকের নাম SIR! অগত্যা ৭ সন্তান ও নথিভর্তি ট্রাঙ্ক মাথায় করে শুনানি কেন্দ্রে হাজির সইফুদ্দিন! zoom
ট্রাঙ্ক মাথায় শুনানি কেন্দ্রে প্রৌঢ়। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

মালদহে এসআইআর শুনানিতে দাদুর কবরের মাটি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন নাতি! এবার নথিভর্তি ট্রাঙ্ক মাথায় করে শুনানি কেন্দ্রে পৌঁছলেন প্রৌঢ়! ৭ সন্তানের ডাক পড়েছে ওই প্রৌঢ়ের। তাঁকেও তলব করা হয়েছে। পরিবারের নথিপত্র ওই ট্রাঙ্কের মধ্যেই থাকে। সেজন্য গন্ধমাদন পর্বতের মতো ট্রাঙ্কই মাথায় নিয়েই হাজির হলেন তিনি। সাড়া ফেলে দেওয়া ওই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে।

রাজ্যজুড়ে এসআইআরের শুনানি হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় এসআইআরের নামে হেনস্থার অভিযোগও উঠেছে। কিছুদিন আগে মালদহ ও বনগাঁয় কবরের মাটি এসআইআর শুনানিতে পরিচয়পত্র হিসেবে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা আলোড়ন ফেলেছিল। এবার আস্ত ট্রাঙ্ক নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে আসার ঘটনা ঘটল। নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের কেন্দ্যামারী জালপাই গ্রাম পঞ্চায়েতে বাড়ি প্রৌঢ় শেখ সইফুদ্দিনের। কিছুদিন আগে জানা যায়, এসআইআরের শুনানিতে সইফুদ্দিন ও তাঁর সাত সন্তানকে তলব করা হয়েছে। আজ, রবিবার তাঁদের শুনানিতে যাওয়ার কথা ছিল।

Advertisement

নির্দিষ্ট সময় ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩০ নম্বর বুথে শুনানি শুরু হয়েছিল। সকলকে হতবাক করে সইফুদ্দিন এক বিশাল বড় ট্রাঙ্ক মাথায় করে সেখানে হাজির হন। শুনানি কেন্দ্রে তখন বহু মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে। ঘরের ভিতর আধিকারিকরাও কাজ করছিলেন। ওই ঘটনা দেখে তাঁরাও হতবাক হয়ে যান। কিন্তু কী আছে ওই ট্রাঙ্কে? জানা যায়, ওখানেই আছে সব নথিপত্র।

জানা গিয়েছে, শুনানির জন্য সাত সন্তান ও সইফুদ্দিনের ডাক পড়েছে। ওই নোটিস আসতেই আতঙ্ক, দুশ্চিন্তা ছড়িয়েছে পরিবারে। দরকারি কাগজপত্র, নথি ওই ট্রাঙ্কেই রাখে পরিবার। একাধিক নথি খুঁজে বার করতে কালঘামও ছুটেছিল! এদিকে অত নথি আলাদা করে নিয়ে যাওয়ার সময় হারানোর আশঙ্কাও থাকতে পারে। সেসব সাতপাঁচ ভেবেই ওই সিদ্ধান্ত। নথিপত্র-সমেত ওই বিশাল ট্রাঙ্কটি মাথায় চাপিয়ে শুনানি কেন্দ্রের দিকে রওনা দিয়েছিলেন প্রৌঢ়। ট্রাঙ্ক মাথায় নিয়েই সটান পঞ্চায়েত অফিসের শুনানি কক্ষে হাজির হন তিনি। সঙ্গে ছিলেন সন্তানরাও।

এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়ে রাজনৈতিক চর্চাও। তৃণমূলের নন্দীগ্রামের ১ নম্বর কোর কমিটির সদস্য বাপ্পাদিত্য গর্গ জানিয়েছেন, বৈধ ভোটারদের শুনানিতে ডেকে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাধ্য হয়েই সাধারণ মানুষ ট্রাঙ্ক মাথায় নিয়ে শুনানিতে যাচ্ছেন। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করা হয়েছে।  বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলা সহ সভাপতি প্রলয় পাল জানিয়েছেন, এসআইআর নিয়ে তৃণমূল মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। ট্রাঙ্ক মাথায় শুনানিতে যাওয়ার দরকার নেই। প্রয়োজনীয় নথি সঙ্গে নিয়ে এলেই হবে।

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.