রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: জল্পনা সত্যি করে আজ, রবিবারই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন শিশির অধিকারী (Sisir Adhikary)। সভায় যাওয়ার পথে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, “শুভেন্দু যা বলছে তাই হবে। ও বললে প্রচারে যাব। নন্দীগ্রামেও যাব।” একইসঙ্গে তাঁর আক্ষেপ, “আমাকে কার্যত ধাক্কা মেরে বিজেপির দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হল।” এর আগেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন বর্ষীয়ান এই তৃণমূল সাংসদ।
ছেলে অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারী ‘ফুল’ বদলের পর থেকেই তৃণমূলের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়েছেন বর্ষীয়ান নেতা শিশির। দলের অন্দরে খর্ব করা হয়েছে তাঁর ক্ষমতাও। ফলে ক্রমশ তাঁর বিজেপি যোগের বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছিল। দিন কয়েক আগে তাঁর বাড়িতে গিয়েছেন বিজেপি সাংসদ তথা বিধানসভার প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। জানিয়েছিলেন শিশিরবাবুকে জনসভায় আমন্ত্রণ জানাতে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজও সেরেছিলেন লকেট। এর পরই স্পষ্ট হয়েছিল, শিশির অধিকারীর বিজেপিতে যোগ স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।
[আরও পড়ুন : শরীরে এখনও নিমতিতা কাণ্ডের ক্ষত, অ্যাম্বুল্যান্সে মনোনয়ন দিতে যাবেন জাকির হোসেন]
ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন খোদ সাংসদও। উল্লেখ্য, তাঁকে অমিত শাহের সভায় আমন্ত্রণ জানাতে শান্তিকুঞ্জে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্যও। আমন্ত্রণ গ্রহণ করে রবিবার এগরায় অমিত শাহের সভার উদ্দেশে রওনা দিলেন তিনি।
শান্তিকুঞ্জ থেকে বেরিয়ে শিশিরবাবু বলেন, “আমাকে ধাক্কা মেরে বিজেপিতে পাঠানো হল। বেঁচে তো থাকতে হবে তাই রাজনীতি করতে হবে। মেদিনীপুরের সম্মানের জন্য লড়াই করব। এখানকার বেকার যুবকদের জন্য লড়াই করব।” বিজেপির হয়ে প্রচার করবেন কি না জানতে চাইলে ‘বিক্ষুব্ধ’ তৃণমূল সাংসদ জানান, “শুভেন্দু যা বলবে তাই হবে। নন্দীগ্রামেও প্রচারে যাব।”
দেখুন ভিডিও:
[আরও পড়ুন : বামেদের বরাদ্দ আসনেও প্রার্থী, নয়া তালিকা প্রকাশ করে জোট ভাঙার বার্তা কংগ্রেসের]
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ