Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৩ অক্টোবর ২০২৬

দুর্ঘটনা আরও কমাতে মুখ্যমন্ত্রীর নয়া দাওয়াই, ‘স্লো ড্রাইভ, সেভ লাইফ’

পুলিশ ও পূর্ত দপ্তরের একাধিক কর্মসূচি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ১৬:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ১৬:৩৯

options
link
দুর্ঘটনা আরও কমাতে মুখ্যমন্ত্রীর নয়া দাওয়াই, ‘স্লো ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ zoom
Advertisement

সন্দীপ চক্রবর্তী: ‘স্লো ড্রাইভ, সেভ লাইফ’। বদলে যাচ্ছে প্রচারের জোর। আসলে, ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’-এর স্লোগানে এবার বাড়তি সংযোজন নয়া স্লোগান। এই স্লোগানও গড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরনো স্লোগানে পথ দুর্ঘটনারোধে এসেছে সাফল্য। অন্তত দশ শতাংশ কমেছে দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর সংখ্যা। তবু বাড়তি নজরের জন্যই দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় ঢেকে দেওয়া হবে নয়া স্লোগান। প্রচারে গাড়ি চালক ও সাধারণ মানুষকে পুলিশ বোঝাবে, গাড়ি আস্তে চালান। তাছাড়া বড় রাস্তা মূলত জাতীয় ও রাজ্যসড়কগুলিতে যে ছোট রাস্তা মেশে, সেখানে দশ মিটারের মধ্যে জোড়া স্পিড ব্রেকার বা হাম্প গড়ে দিচ্ছে পুলিশ ও পূর্ত দপ্তর।

[বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ফ্ল্যাটে প্রশাসনিক আধিকারিকরা, দ্রুত শুরু হবে মেরামতি]

নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, কোন কোন এলাকায় বেশি দুর্ঘটনা হচ্ছে, তা চিহ্নিত করে সবরকমভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। সেই কারণেই বড় রাস্তার মুখে মার্চের মধ্যেই স্পিড ব্রেকার বসানো হচ্ছে। জাতীয় সড়কে যেহেতু স্পিড ব্রেকার বসানো যায় না, তাই সংযোগকারী ছোট রাস্তাতেই সেগুলি থাকবে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছে পূর্ত দপ্তর। কারণ, পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এইসব মোড়ের মুখেই সব থেকে বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে। ‘ব্ল্যাক স্পট’ চিহ্নিত করে পুলিশ সেই সব এলাকায় বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে। নিযুক্ত করা হচ্ছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সিভিক ভলানটিয়ারদেরও। রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের আওতায় থানার সংখ্যা ৪৫৩টি। কলকাতার ৭০টি সাধারণ থানা ধরলে রাজ্যজুড়ে সবমিলিয়ে থানার সংখ্যা ৫২৩। রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক সুরজিৎ করপুরকায়স্থ জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচির পর দুর্ঘটনা ও মৃত্যু অনেকটাই কমেছে। রাজ্যের মোট ৪০টি থানা এলাকাতেই সবথেকে বেশি দুর্ঘটনা হচ্ছে। মোট দুর্ঘটনার ২০ শতাংশ ওই এলাকাগুলিতে হচ্ছে। রাজ্য পুলিশ সব তথ্যও নিয়েছে। তবে ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ কর্মসূচির পর যে রাজ্যে দশ শতাংশ দুর্ঘটনা কমেছে, তা তথ্যে স্পষ্ট।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ভেনিসের ধাঁচে এবার কলকাতায় ওয়াটার ট্যাক্সি, আরামদায়ক জলসফরের ব্যবস্থা]

‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ কর্মসূচির পর থেকেই দুর্ঘটনা কমানোর সুফল মিলেছে। ২০১৬ সালের জুলাই মাসের শুরুতে কর্মসূচির সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর থেকে জেলায় জেলায় সচেতনতা কর্মসূচিতে জোর দেওয়া হয়। ছ’মাসেই তথ্যে দেখা যায়, ২০১৫ সালে যেখানে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৪২২ জনের। সেখানে ২০১৬ সালে পথ দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন ৪০৭ জন। পথচারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ২১৮ ও ১৯৩ জন। ২০১৭ সালে সংখ্যা আরও দশ শতাংশ কমেছে। তবু মুখ্যমন্ত্রী প্রচার ও সচেতনতার মাধ্যমে দুর্ঘটনার প্রবণতা একেবারে নির্মূল করতে চাইছেন।

[আয় বাড়াতে ঘুম চোখেই স্টিয়ারিংয়ে হাত চালকদের, বাড়ছে বিপদ]

 দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সিভিক ভলানটিয়াদেরও কাজে লাগানো হচ্ছে। হেলমেট ছাড়া পেট্রোল পাম্পগুলিতে যাতে তেল না দেওয়া হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে। রাজ্যের প্রতিটি বড় রাস্তার মুখে স্পিড ব্রেকার করে দিচ্ছে সরকার। দুর্ঘটনা কমাতে এই পরিকল্পনা রাজ্য সরকারের। মার্চের মধ্যেই সব থানা এলাকায় এমন হাম্প বসানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এগোচ্ছে রাজ্য পুলিশ ও পূর্ত দপ্তর। দুর্ঘটনাপ্রবণ সব এলাকায় নতুন স্লোগানকে হোর্ডিং, ব্যানারে তুলে ধরতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

[মাধ্যমিকে বেনজির পদক্ষেপ, মুখবন্ধ খামে প্রশ্নপত্র যাবে পরীক্ষার হলে]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.