Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

প্রাইমারি ছেড়ে গিয়েছিলেন হাই স্কুলে, সুপ্রিম রায়ের পর পুরনো চাকরিতে ফিরতে আর্জি ৬০ শিক্ষকের

হাওড়া জেলার ৬০ জন চাকরিহারা আবেদন করেছেন বলে খবর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৫, ১১:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৫, ১১:৪৫

options
link
প্রাইমারি ছেড়ে গিয়েছিলেন হাই স্কুলে, সুপ্রিম রায়ের পর পুরনো চাকরিতে ফিরতে আর্জি ৬০ শিক্ষকের zoom
ফাইল ছবি।

স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: প্রাইমারি স্কুলের চাকরি ছেড়ে ২০১৬ সালে এসএসসি দিয়ে হাইস্কুলে চাকরি পেয়েছিলেন অনেকেই। হাওড়া জেলার এমন ৬০ জন চাকরিহারা শিক্ষক আবার প্রাইমারি স্কুলের চাকরিতে ফিরতে চেয়ে ইচ্ছে প্রকাশ করলেন। ইতিপুর্বেই এঁদের মধ্যে ২৫ জন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরে প্রাইমারি স্কুলের চাকরিতে ফিরতে চেয়ে লিখিত আবেদন করেছিলেন।

এপ্রসঙ্গে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান কৃষ্ণ ঘোষ বললেন, “রাজ্য শিক্ষা দপ্তর যদি এঁদের পুরনো চাকরিতে ফেরানোর নির্দেশ দেয় তাহলে সেই প্রক্রিয়া শুরু করবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর।” তিনি আরও বললেন, “চাকরি হারানো শিক্ষক যাঁরা আগে প্রাইমারি স্কুলে চাকরি করতেন এরকম অনেকেই আবার প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতার চাকরিতে ফিরতে চাইছেন। এই সংখ্যাটা আপাতত ৬০, এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই মনে হচ্ছে আমাদের।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, চাকরি বাতিলের নির্দেশের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ‘যোগ্য’ শিক্ষক যাঁরা চাকরি হারাচ্ছেন তাঁরা যদি শিক্ষকতার চাকরি করার আগে অন্য কোনও সরকারি চাকরি করতে করতে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে স্কুল শিক্ষকতার চাকরি পান তাহলে তাঁরা আবার তাঁদের পুরনো সরকারি চাকরিতে ফিরতে পারবেন। রাজ্য সরকার তাঁদের পুরনো সরকারি চাকরি ফিরিয়ে দিতে পারবে। সেইমতোই যে সমস্ত ‘যোগ্য’ শিক্ষকরা আগে প্রাইমারি স্কুলে চাকরি করতে করতে এসএসসি দিয়ে হাই স্কুলে চাকরি পেয়েছিলেন চাকরি যেতেই তাঁরা আবার প্রাইমারি স্কুলে পুনর্বহাল হওয়ার জন্য আবেদন করতে শুরু করেছেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, যাঁরা প্রাইমারি স্কুলের চাকরি ছেড়ে যান সাধারণত তাঁদের সম্পর্কে আর কোনও তথ্য রাখা হয় না প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরে। যাবতীয় তথ্য ডিলিট করে দেওয়া হয়। এখন রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর যদি আবার এঁদের পুনর্বহাল করতে বলে তাহলে এঁদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এমনকী চাকরির কনটিনিউয়েশন করে এই শিক্ষকদের আগের মতোই যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। সেটা আর্থিক সুবিধা হোক কিংবা অন্য সরকারি সুবিধা। যেগুলি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকরা পেয়ে থাকেন। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর কী নির্দেশ দেয় তার উপর। শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশের উপরই যাবতীয় ব্যবস্থা নেবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.