Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Nadia

কয়েক ঘণ্টা আগে বাবাকে দাহ! থান পরেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিল ছেলে

কয়েক ঘণ্টা আগেই বাবার দাহকার্য সম্পন্ন হয়েছে। বাবাকে দাহ করার পর সাদা থান পরে ছেলে। ওই থান পরেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে এল পরীক্ষার্থী ছেলে। বাবার মৃত্যুশোককে বুকে কার্যত পাথর চাপা দিয়ে পরীক্ষা দিল ছেলে। হৃদয়বিদারক এই ঘটনা ঘটেছে নদিয়ার হরিণঘাটা পুরসভার আনন্দপুরে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৬:৩৯

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৬:৩৯

options
link
কয়েক ঘণ্টা আগে বাবাকে দাহ! থান পরেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিল ছেলে zoom
থান পরেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে এল ছেলে।
Advertisement

কয়েক ঘণ্টা আগেই বাবার দাহকার্য সম্পন্ন হয়েছে। বাবাকে দাহ করার পর সাদা থান পরে ছেলে। ওই থান পরেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিল পরীক্ষার্থী ছেলে। বাবার মৃত্যুশোককে বুকে কার্যত পাথর চাপা দিয়ে পরীক্ষা দিল ছেলে। হৃদয়বিদারক এই ঘটনা ঘটেছে নদিয়ার হরিণঘাটা পুরসভার আনন্দপুরে। বাবা, চাইতেন পরীক্ষা দিয়ে ছেলে ভালো ফল করবে, আগামী দিনে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হবে। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে পূরণ করার জন্যই ছেলে পরীক্ষা দিল। এই কথাই প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

হরিণঘাটার আনন্দপুর হাই স্কুলের কমার্সের ছাত্র স্বস্তিক দাস। পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দপুরের বাসিন্দা সে। এই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সিট পড়েছিল এলাকারই বিরহী নেতাজি বিদ্যাভবনে। তার পরীক্ষা ভালোই হচ্ছিল বলে খবর। কিন্তু এর মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার সন্ধ্যায় মৃত্যু হয় বাবা সুদীপ দাসের। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল ওই পরিবারের। গতকাল, বৃহস্পতিবার ওই ব্যক্তির দাহকার্য হয়। বাবার মৃত্যুতে দাহকার্য করে ছেলে স্বস্তিক। গুরুদশায় থানও পরেছে ওই ছাত্র।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পরীক্ষা ভালোই হচ্ছিল বলে খবর। কিন্তু এর মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার সন্ধ্যায় মৃত্যু হয় বাবা সুদীপ দাসের। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল ওই পরিবারের।

আজ, শুক্রবার থান পরেই পরীক্ষা দিতে গেল ওই পরীক্ষার্থী। অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ই পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছয় সে। তবে পরীক্ষায় বসার ক্ষেত্রে কোনও বাধা আসেনি। ওই পোশাকে দেখে অন্যান্যরা হতবাক হয়েছিলেন। করুণ দৃশ্য দেখে অভিভাবকদের অনেকেই ভেঙে পড়েন। বন্ধুরা পাশে দাঁড়িয়েছে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই। পরীক্ষা ভালোই হয়েছে বলে জানিয়েছে ওই ছাত্র। স্বস্তিকের কথায়, বাবা আর ফিরে আসবেন না। বাবা সব সময় চাইতেন, ছেলে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়ে সফল হোক। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হোক। সেই ইচ্ছাপূরণ করার জন্যই পরীক্ষায় বসেছে সে। বাকি পরীক্ষাগুলিতেও একইভাবে সে বসবে বলে জানানো হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.