Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৩ জুলাই ২০২৬

রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করা মেধাবী ছাত্র, নদিয়ায় চাঞ্চল্য

প্রেমে প্রত্যাখ্যানের পরিণাম?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০১৮, ১৩:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০১৮, ১৩:২২

options
link
রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করা মেধাবী ছাত্র, নদিয়ায় চাঞ্চল্য zoom

স্টাফ রিপোর্টার, কৃষ্ণনগর: সদ্য উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছিল ছেলেটা। বিজ্ঞান বিভাগে ৮৭ শতাংশ নম্বরও পেয়েছিল। কিন্তু বন্ধুকে বই দিতে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি। গত ছয় দিন ধরে নিখোঁজ নদিয়ার ধানতলার মেধাবী পড়ুয়া। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ধানতলা থানা এলাকায়।

[‘তৃণমূল হটাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে পরিবর্তনের ডাক রাহুল সিনহার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিখোঁজ ছাত্রের নাম দিব্যশ মজুমদার (১৮)। বাড়ি ধানতলা থানা এলাকার হিজুলি গাজনতলায়। বাবা রতন মজুমদার প্রাইমারি স্কুলের  শিক্ষক।  রানাঘাট পালচৌধুরি হাই স্কুলে পড়তেন দিব্যশ। চলতি বছরেই বিজ্ঞান বিভাগে ৮৭ শতাংশ নম্বর পেয়ে পাশ করেছেন।  মেধাবী ছাত্রটি গত ১৭ জুন বিকাল সাড়ে তিনটে নাগাদ স্টেশনে বন্ধুকে বই দেওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হন। তারপর আর ফেরেননি। পুরো এলাকা তন্নতন্ন খুঁজেছে পুলিশ। কিন্তু কোনও সন্ধান মেলেনি। এরই মাঝে আবার গুজব রটে যায়, চূর্ণি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্য করেছেন দিব্যশ। কিন্তু ডুবুরি নামিয়ে নদীতে তল্লাশি চালিয়েও কিছু মেলেনি। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়েই এই কাজ করেছেন মেধাবী পড়ুয়া।

[মমতার গতিধারা নিয়ে আগ্রহী যোগীর রাজ্যও]

দিব্যশের বাবা রতন মজুমদার বলেন, ‘বাড়ি ফিরতে দেরি হচ্ছে দেখে আমি পাঁচটা নাগাদ ওকে ফোন করি। কিন্তু সুইচ অফ পাই। এরপর অপেক্ষায় থাকলেও আজ ছয় দিন ওর কোন খোঁজ পাইনি। নিখোঁজ ডায়েরি করি। উড়ো খবর পাই, ওকে চূর্ণি নদীতে কেউ ঝাঁপ দিতে দেখেছে। পুলিশকে জানাই। রানাঘাট থানার পুলিশ স্পিড বোর্ড দিয়ে ডুবুরি নামিয়ে খোঁজাখুঁজি করেও কোন হদিশ পায়নি। পরে খবর পাই, কোন একটি মেয়েকে ও নাকি ভালবাসত। মেয়েটি ওর থেকে এক বছরের বড়। মেয়েটি অন্য কোন ছেলেকে ভালবাসে। মনে হয়, আমার ছেলে মেয়েটিকে একতরফা ভালবাসত। মেয়েটি সম্ভবত আমার ছেলের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। সেই অভিমানে ও আর বাড়ি ফেরেনি। জানিনা, আমার ছেলে বেঁচে আছে কি না?’ আপাতত ছেলের দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে মজুমদার পরিবারের। পুলিশ অবশ্য খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছে।

[প্রেম না মানে বাধা, কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশ অভিযান নাবালিকার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.