Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Itahar

ইটাহারে স্কুলের ছাত্রীদের উত্যক্ত করার প্রতিবাদে ‘শাস্তি’, ছাত্রকে কোপ দুষ্কৃতীদের

পুলিশ দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১৯:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১৯:৪৯

options
link
ইটাহারে স্কুলের ছাত্রীদের উত্যক্ত করার প্রতিবাদে ‘শাস্তি’, ছাত্রকে কোপ দুষ্কৃতীদের zoom
প্রতীকী ছবি।

শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: স্কুলে যাওয়ার পথে প্রকাশ্যে চার ছাত্রীকে উত্যক্ত করছিল বাইক আরোহী চার দুষ্কৃতী। প্রতিবাদ করেছিল সহপাঠী এক ছাত্র। ফলে রোষ গিয়ে পরে তার উপর। ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। পরে তাকে অস্ত্রের কোপও দেওয়া হয়। সেই অস্ত্রের আঘাতে ডান হাতের  আঙুলের অনেকটা অংশ কাটল ওই কিশোরের। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের রাজগ্রাম হাইস্কুলের যাওয়ার পথে বহুতি সেতু সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছয়। কিন্তু তার আগেই দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। স্কুল ক্যাম্পাসে পৌঁছে জখম ছাত্রের দাবি, সাইকেল করে তারা স্কুলে যাচ্ছিল। সেসময় কয়েকজন বান্ধবীদের সঙ্গে খারাপ কথা বলছিল। প্রতিবাদ করলে ছুরির কোপ দেওয়া হয়। ঘটনায় পড়ুয়াদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রশ্ন উঠেছে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে।

Advertisement

স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাপস সরকার বলেন, “দিনের বেলায় দুষ্কৃতীরা স্কুলের ছাত্রীদের ইভটিজিং করছে। অস্ত্র দেখিয়ে খুনের হুমকি দিচ্ছে। স্কুল ক্যাম্পসের কাছেই ছেলেমেয়েদের অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। স্কুল এলাকায় নিরাপত্তা নেই। আর বাইরে তো আর কিছুই বলা সম্ভব নয়।” তিনি আরও বলেন, “পুলিশকে আগেও জানিয়েছিলাম। তবে এখন রাস্তায় নিরাপত্তা বাড়ানোর অনুরোধ জানাব।”

অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুলেও বাচ্চাদের কোনও নিরাপত্তা নেই। অনেকবার পুলিশকে জানানো হয়েছে। কয়েক দিন পুলিশের মোবাইল ভ্যান টহল দিয়েছিল। এখন আবার দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। আক্রান্ত ছাত্রের বাবা সাহাবুদ্দিনের অভিযোগ, “স্কুলে বাচ্চাদের মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। তবুও দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করতে পারছে না। কোন সাহসে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাব।” এ ব্যাপারে ইটাহার থানার আইসি সুকুমার ঘোষ জানান, ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.