Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Didir Suraksha Kabach

ক্লাস বন্ধ রেখে স্কুলে ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’, দেদার নাচাগানা-খানাপিনা! অভিযোগ ওড়ালেন বিধায়ক

উচ্চমাধ্যমিকের চলাকালীন মাইক-বক্স বাজিয়ে সভা-সমিতি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৩, ১৮:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৩, ১৮:২৫

options
link
ক্লাস বন্ধ রেখে স্কুলে ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’, দেদার নাচাগানা-খানাপিনা! অভিযোগ ওড়ালেন বিধায়ক zoom
Advertisement

চন্দ্রজিৎ মজুমদার,কান্দি: উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষা চলাকালীন মাইক-বক্স বাজিয়ে সভা-সমিতি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দিতে সেই নির্দেশ পালন তো দূরের কথা, উলটে দেখা গেল প্রাথমিক স্কুলে ক্লাস বন্ধ রেখে তৃণমূলের ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচি উপলক্ষে নাচ-গানের সঙ্গে নেতাকর্মীদের দেদার খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করতে। সোমবার স্কুল চলাকালীন ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচি পালন হল মুর্শিদাবাদের কান্দি মহকুমার বড়ঞা ব্লকে নীমা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। যা ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।

সোমবার ছিল বড়ঞা ২ নম্বর অঞ্চলে ‘দিদি সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচির নির্ধারিত দিন। সেই মতোই নিমা গ্রামের প্রাথমিক স্কুল পরিদর্শনের কথা ছিল তৃণমূল বিধায়কের। তবে শিক্ষকদের কথায়, সেই সময় ছিল সকাল নটা থেকে দশটা পর্যন্ত। কিন্তু এগারোটা পেরিয়ে গেলেও কার্যত স্কুলের ক্লাস বন্ধ করে, মাইক-বক্স বাজিয়ে নাচ-গান, হুল্লোড় চলল স্কুলেই। আর যার রীতিমত বসে-বসে দেখলেন স্কুল শিক্ষক থেকে ছাত্রছাত্রী ও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ থেকে বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা, বড়ঞা ব্লক তৃণমূল সভাপতি রবীনকুমার ঘোষ, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ মাহে আলম-সহ পুর ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আবার খেলা হবে, জিততে হবে, আমি বিশ্বকাপ আনতে চাই’, মোহনবাগান মাঠে মন্তব্য মমতার]

 

সকাল ১১ টার পরেও কীভাবে খুলে স্কুলের ক্লাস বন্ধ করে রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছে স্কুলে? শিক্ষকদের কাছে এই প্রশ্ন গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে করার পরই হুঁশ ফেরে তৃণমূল নেতৃত্ব-সহ স্কুল কর্তৃপক্ষের। তড়িঘড়ি অনুষ্ঠান বন্ধ হয়। মাঝে চলে খাওয়াদাওয়ার পর্ব। বেলা প্রায় সাড়ে বারোটা পর্যন্ত চলে এই খাওয়াদাওয়া। স্কুলের মিড ডে মিলের ঘরে হয় রান্না। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করে বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা জানিয়েছেন, “সকাল ১১টা পর্যন্ত প্রোগ্রাম হয়েছে। তারপর কোনও প্রোগ্রাম হয়নি। স্কুলের কিছু সময় নষ্ট হয়েছে।” তবে স্কুলের প্রধান শিক্ষক শেখ রাহাতুল্লাকে এই প্রশ্ন করলে বিভিন্ন উপায়ে তিনি প্রশ্ন এড়িয়ে যান।

[আরও পড়ুন: ত্রিপুরায় নয়া সমীকরণ! বিজেপি নয়, স্পিকার নির্বাচনে বাম-কংগ্রেসের সঙ্গেই তিপ্রা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.