নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে দুষ্কৃতী হামলা! শনিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটেছে গড়বেতা থানার অন্তর্গত চন্দ্রকোনা রোডে। হামলার ঘটনার প্রতিবাদে পুলিশ ফাঁড়িতে অবস্থানে বসলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু। শেষ পাওয়া খবরে, দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে তাঁর অবস্থান এখনও চলছে বলে জানা গিয়েছে।
জানা গিয়েছে শনিবার পুরুলিয়া থেকে জনসভা করে মেদিনীপুরের দিকে ফিরছিলেন শুভেন্দু। ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে ফেরার সময় চন্দ্রকোনা রোডে সাতবাঁকুড়া অঞ্চল অফিসের সামনে তাঁর গাড়ির উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর দাবি, তৃণমূলের জনা কুড়ি দুষ্কৃতী বাঁশ-লাঠি নিয়ে তাঁর গাড়ির উপর চড়াও হন। ওই ঘটনার পরই সটান তিনি গাড়ি ঘুরিয়ে চন্দ্রকোনারোড ফাঁড়িতে ঢুকে ফাঁড়ি ইনচার্জের অফিসে তার সামনেই মেঝেতে বসে পড়েন। যতক্ষণ না দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ততক্ষণ তিনি উঠবেন না বলে জানিয়েছেন। ফাঁড়ি ইনচার্জ শুভেন্দুকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বললেও, অবস্থান থেকে উঠতে নারাজ বিরোধী দলনেতা।
যদিও শুভেন্দুর যাবতীয় অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন ব্লক তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার। তিনি বলেন, “শুভেন্দুবাবুর গাড়ির উপর হামলার কোনও ঘটনা ঘটেনি। অঞ্চল অফিসের সামনে চায়ের দোকানে তৃণমূলের কয়েকজন কর্মী সমর্থক আড্ডা দিচ্ছিলেন। বিজেপির সমর্থকরা সেখানে বিরোধী দলনেতাকে স্বাগত জানাতে হাজির হয়ে যান। তৃণমূল কর্মীদের সামনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করে ওরা। পাল্টা স্লোগান দেন তৃণমূল কর্মীরা। এই ঘটনায় বিরোধী দলনেতার নিরাপত্তারক্ষীরাই সবাইকে হঠিয়ে দেয়। কোনও হামলা হয়নি।”
বিরোধী দলনেতা নাটক করছেন বলে অভিযোগ করেছেন জেলা তৃনমূলের সভাপতি সুজয় হাজরাও। সুজয়বাবু বলেছেন, “এসআইআর নিয়ে গ্রাম গঞ্জের মানুষ বিজেপির উপর ক্ষেপে আছে। সাধারণ মানুষই এই বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।”
সর্বশেষ খবর
-
মক্কায় হুলস্থুল! প্রার্থনার চাদর বিতরণের মাঝে রাখির হিজাবে টান, ভাইরাল ভিডিও
-
নেপালের বন্যায় ভেসে এল ব্যাঙ্ক লকার! ৯২ লক্ষ টাকা লুট করে ‘শ্রীঘরে’ ২৯ জন
-
‘আমার দেওয়া কালীঠাকুর রোজ পুজো করতেন’, প্রয়াত আশিসের বাড়ি গিয়ে স্মৃতিচারণা মুখ্যমন্ত্রীর
-
প্রয়োজন ছিল অনেক টাকার! আয়ুষ্মান কার্ডে ডুয়ার্সের কৃষকের নিখরচায় অস্ত্রোপচার
-
সর্বস্ব খুইয়ে নিঃস্ব, বাড়িভাড়ার টাকায় দিন গুজরান, এবার বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা সুভাষ চন্দ্রর!