৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ:  সময়টা বড় কম নয়। এগারো বছর আগে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন এক তামিল যুবক। এদিক-সেদিক ঘুরতে চলে এসেছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয়। হ্যাম রেডিও অপারেটরদের সৌজন্যে অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরলেন তিনি। 

[আরও পড়ুন: পুত্রবধূর স্বীকৃতির দাবিতে শ্বশুরবাড়ির সামনে ধরনা যুবতীর]

বছর দুয়েক আগে বনগাঁ স্টেশনের কাছে রেললাইনের পাশ থেকে এক যুবককে উদ্ধার করে জিআরপি। তাঁকে ভরতি করে দেওয়া হয় বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে। আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে তাঁর চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু ওই ব্যক্তির পরিচয় কী? বাড়ি কোথায়? সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। চিকিৎসকদের বক্তব্য, মানসিক সমস্যা তো ছিলই, তাঁর ভাষা বুঝতে পারছিলেন না কেউই।  বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালের সহকারী সুপার সপ্তর্ষি চৌধুরী জানিয়েছে, ওই ভবঘুরে ব্যক্তির সম্পর্কে জানতে হ্যাম রেডিও অপারেটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তাঁরা। দীর্ঘ তিন মাসের চেষ্টায় অবশেষে ওই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়। তামিলনাড়ুতে তাঁর পরিবারের লোকের সঙ্গে যোগাযোগও করেন হ্যাম রেডিও অপারেটররা। বৃহস্পতিবার বনগাঁয় এসে ঘরের ছেলেকে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন পরিবারের লোকেরা।

জানা গিয়েছে, বনগাঁ হাসপাতালে যিনি ভরতি ছিলেন, তাঁর নাম জানকি রমন। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর বিল্লুপুরাম জেলায়। এগারো বছর আগে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন জানকি। কীভাবে তাঁর পরিবারের লোকেদের খোঁজ পেলেন হ্যাম রেডিও অপারেটররা? হ্যাম রেডিও ক্লাবের সম্পাদক অম্বরিশ নাগ বিশ্বাস জানিয়েছেন, মাতৃভাষা তামিল ছাড়া আর কোনও ভাষাই জানেন না জানকি। ভাষা সমস্যার জন্যই পরিবারের সন্ধান পেতে সমস্যা হচ্ছিল। শেষপর্যন্ত জানকির কথা মোবাইলে রেকর্ড করা হয়। তামিল জানেন, এমন একজনকে তা শোনানো হয়। আর তাতেই মেলে সাফল্য।  বনগাঁ হাসপাতালে তরফে জানানো হয়েছে, জানকি শারীরিক ভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ। তবে তাঁর পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভাল নয়। হাসপাতালের খরচেই জানকিকে তামিলনাড়ুতে ফেরত পাঠানো হয়েছে।  

[আরও পড়ুন: ঘটিগরমের কামাল, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দিঘার ‘ঘটিগরম কাকু’ পেলেন মাথা গোঁজার ঠাঁই]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং