Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২ অক্টোবর ২০২৬
Tarapith Fire

‘বাথরুমের জানলা ভেঙেছিলাম, তারপর…’ জতুগৃহ তারাপীঠের হোটেলে আটকে হাড়হিম অভিজ্ঞতা পর্যটকের

জতুগৃহে প্রায় ৪৫ মিনিট আটকে থাকার পর পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করেন। প্রাণ হাতে বেঁচে ফিরে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা শোনালেন এক পর্যটক।

বিপিন পাল
বিপিন পাল

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ১৪:১০

link
বিপিন পাল
বিপিন পাল

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ১৪:১০

options
link
‘বাথরুমের জানলা ভেঙেছিলাম, তারপর…’ জতুগৃহ তারাপীঠের হোটেলে আটকে হাড়হিম অভিজ্ঞতা পর্যটকের zoom
তপজ্যোতি মণ্ডল। তারাপীঠের হোটেলে আটকে থাকা পর্যটক।
Advertisement

রাতের আঁধার কেটে সবে তখন ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। আচমকা বিকট শব্দ হতে থাকে। রুম ততক্ষণে ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছে। পালানোর চেষ্টায় দরজা খুলতেই দেখতে পান আগুনের লেলিহান শিখা যেন তেড়ে আসছে তাঁদের দিকে। দু’টো ছোট বাচ্চা, স্ত্রীকে নিয়ে কী করবেন বুঝে উঠতে না পেরে বাথরুমে ঢুকে দরজা আটকে দেন। কীভাবে বেঁচে ফিরলেন? প্রাণ হাতে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা শোনালেন এক পর্যটক।

তারাপীঠে বেড়াতে আসা পর্যটক তপজ্যোতি মণ্ডল জানাচ্ছেন, “৪৫ মিনিটের মধ্যে মনে হচ্ছিল সব শেষ। রুমের দরজা খুলে যখন বেরতে যাচ্ছিলাম, দেখি রিসেপশনের সামনে থেকে আগুনের লেলিহান শিখা এগিয়ে আসছে। বাধ্য হয়ে বাথরুমে ঢুকে পড়েছিলাম দু’টো বাচ্চা, স্ত্রীকে নিয়ে। দরজা আটকে রেখেছিলাম যাতে কোনওভাবে ধোঁয়া ভিতরে না ঢোকে। তারপর জল চালিয়ে দিয়ে… জানলা ভেঙে নিশ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। ৪৫ মিনিট পর পুলিশ গিয়ে আমাদের উদ্ধার করে।” ধোঁয়ায় দমবন্ধ পরিস্থিতিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তাঁর বৃদ্ধা মা। দুই বোনও হোটেল আটকে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গোটা হোটেল চত্বর ঘিরে ফেলা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। তার মধ্যেই এক ভয়ংকর ছবি দেখা গেল হোটেলের মেন গেটের সামনে। কাঁধ পর্যন্ত ঝলসে যাওয়া এক ব্যক্তি রাস্তায় বসে। মুখ-মাথা দেখলে চেনার উপায় নেই!

ঘুমন্ত অবস্থাতেই অনেকে ঝলসে গিয়েছেন। অনেকে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে পুড়ে গিয়েছেন। পুলিশ গিয়ে পিছনের সিঁড়ি দিয়ে বহু পর্যটককে নামিয়ে এনেছেন। মালদহের বাসিন্দা এমন এক পর্যটককে হোটেল রুম থেকে বাঁচানো গেলেও রাস্তায় দাঁড়িয়ে তিনি হাঁ করে তাকিয়ে আছেন সেদিকেই। মা-ভাই-ভাইয়ের বউ, কাউকে খুঁজে না পেয়ে উদ্ভ্রান্তের মতো ঘুরছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। 

গোটা হোটেল চত্বর ঘিরে ফেলা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। তার মধ্যেই এক ভয়ংকর ছবি দেখা গেল হোটেলের মেন গেটের সামনে। কাঁধ পর্যন্ত ঝলসে যাওয়া এক ব্যক্তি রাস্তায় বসে। মুখ-মাথা দেখলে চেনার উপায় নেই! তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় দমকল-পুলিশ। ইতিমধ্যেই ওই হোটেলের মালিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন দমকলমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.