Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৫ জুন ২০২৬
তারাতলা বিভীষিকা
Taratala

জুটমিলে চাকরি হারিয়ে পেটের দায়ে তারাতলায় কাজ কৃষ্ণর, ছেলের মৃত্যুতে শোকে পাথর বৃদ্ধা মা

বৃদ্ধা মা-সহ পরিবারের একাধিক সদস্য তাঁর আয়ের উপর নির্ভরশীল ছিলেন। সংসারের খরচ চালাতে জুটমিলের বাইরে বিভিন্ন ধরনের শ্রমের কাজ করতে শুরু করেন তিনি।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ২২:৩৮

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ২২:৩৮

options
link
জুটমিলে চাকরি হারিয়ে পেটের দায়ে তারাতলায় কাজ কৃষ্ণর, ছেলের মৃত্যুতে শোকে পাথর বৃদ্ধা মা zoom
তারাতলা বিপর্যয়ে নিহত জগদ্দলের কৃষ্ণের শোকে পাথর বৃদ্ধা মা। নিজস্ব চিত্র

জুটমিলের চাকরি গিয়েছিল ছ’মাস আগে। তারপর সংসার চালাতে কাল ঘাম ছুটেছে বছর তিরিশের কৃষ্ণ চৌধুরীর। যেখানে কাজ মিলেছে, সেখানেই গিয়েছেন। সম্প্রতি তারাতলায় একটি পাইপলাইন প্রকল্পে ওয়েল্ডিংয়ের কাজে যোগ দিয়েছিলেন ভাটপাড়ার ওই শ্রমিক। বুধবার নির্মীয়মাণ কারখানায় ছাদ ধসের ঘটনায় মৃত্যু হল তাঁর। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্যকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ ভাটপাড়ার পূর্বাশা এলাকা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাটপাড়া পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বাশা এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণ দীর্ঘদিন ভাটপাড়া রিলায়েন্স জুটমিলে কাজ করতেন। প্রায় ছ’মাস আগে ছাঁটাই হওয়ার পর থেকেই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে পরিবার। বৃদ্ধা মা-সহ পরিবারের একাধিক সদস্য তাঁর আয়ের উপর নির্ভরশীল ছিলেন। সংসারের খরচ চালাতে জুটমিলের বাইরে বিভিন্ন ধরনের শ্রমের কাজ করতে শুরু করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, দু’দিন আগে তারাতলার একটি পাইপলাইন প্রকল্পে ওয়েল্ডিংয়ের কাজে যোগ দিয়েছিলেন কৃষ্ণ। এদিন সেই কারখানার গোডাউনের ছাদ ভেঙে পড়লে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন একাধিক শ্রমিক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Taratala-Rescue-1
তারাতলায় গোডাউনের ধ্বংসস্তূপে জারি উদ্ধারকাজ। ছবি: সুখময় সেন

পরে তাঁর মৃত্যুর খবর পৌঁছয় বাড়িতে। মৃতের ভাই সরবান চৌধুরী বলেন, ‘‘আমাদের এখনও দেহ দেখতে দেওয়া হয়নি। পুলিশ সমস্ত নথিপত্র তৈরি করে রাখতে বলেছে।’’ স্থানীয় বাসিন্দা অমিত সাউ জানান, জুটমিলের চাকরি হারানোর পর কৃষ্ণ বিভিন্ন জায়গায় শ্রমিকের কাজ করতেন। মাল বহনের কাজ-সহ যে কাজ মিলত, সেটাই করতেন। তাঁর কথায়, ‘‘খুবই ভদ্র এবং পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। পরিবারের সব দায়িত্ব একাই সামলাতেন। ওঁর মৃত্যুতে পরিবারটা একেবারে অসহায় হয়ে পড়ল।’’ উল্লেখ্য, বুধবার তারাতলার নির্মীয়মাণ একটি কারখানার ছাদ ধসের ঘটনায় মোট পাঁচজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন ভাটপাড়ার কৃষ্ণ চৌধুরী। কাজ হারানোর কয়েক মাসের মধ্যেই কর্মস্থলে তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.