Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Murshidabad

খেলায় মগ্ন ছোটরা, বাড়িতে বল ঢুকতেই মুর্শিদাবাদে শিশুদের ‘গুলি’ শিক্ষকের! আহত ১

ভয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় এক বাচ্চার হাতে গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় জঙ্গিপুর হাসপাতালে। সে সেখানেই চিকিৎসাধীন।

শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৪:২৫

link
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৪:২৫

options
link
খেলায় মগ্ন ছোটরা, বাড়িতে বল ঢুকতেই মুর্শিদাবাদে শিশুদের ‘গুলি’ শিক্ষকের! আহত ১ zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

বাড়ির সামনের মাঠে খেলছিল শিশুরা। বল চলে যায় শিক্ষকের বাড়িতে। বল কেন এল? সেই ‘ক্ষোভে’ শিশুদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এক শিশুর হাতে গুলি লেগেছে। সে জঙ্গিপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রঘুনাথগঞ্জে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত শিক্ষকের নাম সমীরকুমার মণ্ডল। তিনি ওমরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। প্রতিদিন তাঁর বাড়ির পাশের মাঠে খেলা করে স্থানীয় কয়েকজন বাচ্চা। এর আগেও মাঝেমধ্যেই খেলার বল চলে যায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, তা নিয়ে আগেও একাধিকবার ঝামেলা করেছেন ওই শিক্ষক। শুক্রবার বিকেলে তা চরম পর্যায়ে পৌঁছয়।

Advertisement

১০-১২ জন শিশু প্রতিদিনের মতো ওই মাঠে খেলতে যায়। ভুলবশত বল গিয়ে লাগে শিক্ষকের দরজায়। অভিযোগ, তারপরই ‘ক্ষুব্ধ’ শিক্ষক পাখি মারার বন্দুক নিয়ে এসে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। ভয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় এক বাচ্চার হাতে গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় জঙ্গিপুর হাসপাতালে। সে সেখানেই চিকিৎসাধীন। আহত শিশুর বাবা বিশ্বজিৎ সাহা জানান, “প্রতিদিনের মতো ১০-১২ জন বাচ্চা বাণীপুরের ফাঁকা মাঠে খেলছিল। খেলতে খেলতে বল সমীরকুমার মণ্ডলের বাড়ির দরজায় লাগে। তখন তিনি পাখি মারা বন্দুক দিয়ে শিশুদের উদ্দেশ্যে চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালান। বাচ্চারা ছুটে পালানোর চেষ্টা করলে, আমার ছেলের হাতে গুলি লাগে।”

খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় স্থানীয় থানার পুলিশ। অভিযুক্ত শিক্ষককে তাঁর বাড়ি থেকেই আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে বন্দুকটি। পরে শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, কী ধরণের বন্দুক তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। সূত্র মারফত খবর, সেটি অত্যাধুনিক এয়ারগান। তবে সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিযুক্ত শিক্ষক বলেন, “ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই গুলি চালিয়েছিলাম। কারও গায়ে লেগে যাবে বুঝতে পারিনি।” পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.