Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Biswa Bangla University

বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা! স্থায়ী শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের অভাবে শিকেয় পঠনপাঠন

১৯ বিভাগে ১০০০ পড়ুয়া, তবু নেই স্থায়ী শিক্ষক। দ্রুত নিয়োগের দাবিতে নতুন সরকারের দিকে তাকিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া অভিভাবক এবং কর্তৃপক্ষ।

Advertisement
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ২০:২৩

link
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ২০:২৩

options
link
বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা! স্থায়ী শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের অভাবে শিকেয় পঠনপাঠন zoom
বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়।

স্থায়ী শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীহীন বিশ্ব বাংলা বিশ্ববিদ্যালয়। উপাচার্য ও ল-অফিসার ছাড়া নেই স্থায়ী কেউই। পুনর্নিয়োগের মেয়াদ শেষের মুখে, কর্মী সংকটে অনিশ্চয়তায় বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯ বিভাগে ১০০০ পড়ুয়া, তবু নেই স্থায়ী শিক্ষক। দ্রুত নিয়োগের দাবিতে নতুন সরকারের দিকে তাকিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া অভিভাবক এবং কর্তৃপক্ষ। তবে সম্প্রতি ৬০ বছর অতিক্রান্ত হওয়া কর্মী আধিকারিকদের মেয়াদ বাতিল প্রকাশিত সরকারি নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ আরও বেড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে।

বর্তমানে প্রশাসনিক কাজকর্ম মূলত পুনর্নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মী ও অতিথি শিক্ষকদের উপর নির্ভর করেই চলছে বিশ্ববিদ্যালয়। তবে ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে পুনর্নিয়োগ পেয়েছিলেন প্রায় ১২ জন কর্মী। বিভিন্ন প্রশাসনিক বিভাগের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তাঁরা। চলতি মাসেই চার থেকে পাঁচ জনের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে পুনর্নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে প্রশাসনিক কাজকর্মে বড়সড় অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত স্থায়ী কর্মী নিয়োগের দাবি তুলছেন পড়ুয়া এবং অভিভাবকেরা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, নতুন করে স্থায়ী শিক্ষক, আধিকারিক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ না হলে ভবিষ্যতে শিক্ষার মান ও প্রশাসনিক পরিকাঠামো দুই ক্ষেত্রেই সংকট তৈরি হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বোলপুর সংলগ্ন শিবপুরে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার ঘোষণা করার পর ২০২০ সালে রাজ্য বিধানসভায় আইন পাশ করে পথচলা শুরু করে বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়। ধাপে ধাপে চালু হয় একাধিক বিভাগ। চলতি বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী উপাচার্য অধ্যাপক আবু তালেব খান দায়িত্ব নেন। এরপরই রাজ্য সরকারের উচ্চশিক্ষা দপ্তরে কর্মীসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য বিস্তারিত প্রস্তাব পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর সেই প্রস্তাব অর্থ দপ্তরে পাঠালেও নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হওয়ায় বিষয়টি আর এগোয়নি।

উপাচার্য আবু তালেব খান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। সেই জায়গা থেকে বিষয়ভিত্তিক স্থায়ী অধ্যাপক নিয়োগ অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি প্রশাসনিক কাজের জন্য পর্যাপ্ত আধিকারিক ও নন-টিচিং স্টাফও প্রয়োজন। বর্তমানে বিভিন্ন বিভাগে ৫৫ জন গেস্ট ফ্যাকাল্টি পাঠদান করাচ্ছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কলেজের কয়েক জন অধ্যাপক ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি হিসেবেও ক্লাস নেন। যেসব বিভাগে স্থায়ী অধ্যাপকের অভাব রয়েছে, সেখানে তাঁরাই পাঠদানের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।” বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী নিয়োগ না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ছে। তাই পালাবদলের পর নতুন সরকারের কাছে দ্রুত স্থায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার দাবিই জোরালো হয়ে উঠেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.