Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

বন্ধুদের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে নিখোঁজ, ছাত্রীর দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য পানিহাটিতে

খুনের অভিযোগ দায়ের পরিবারের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০১৮, ০৯:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০১৮, ০৯:৫১

options
link
বন্ধুদের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে নিখোঁজ, ছাত্রীর দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য পানিহাটিতে zoom
Advertisement

আকাশনীল ভট্টাচার্য, বারাকপুর: এক স্কুল ছাত্রীর রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল খড়দহ থানার পানিহাটিতে। মৃত ছাত্রীর নাম সায়নী শীল ওরফে মিষ্টি (১৬)। সে একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে খড়দহ থানার পানিহাটি পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ৫ নম্বর রেলগেট সন্নিহিত হ্যারিকেন পুকুর থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ডুবুরি নামিয়ে নিখোঁজ ছাত্রীর মৃতদেহ ঘাটের সিঁড়ির নিচ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সায়নীর বাড়ি সোদপুরের ২ নম্বর দেশবন্ধু নগরে। ওর মামার বাড়ি আগরপাড়ার ৩ নম্বর মহাজাতি নগরে। বুধবার সায়নী মামার বাড়ি গিয়েছিল।

[ভোটের ডিউটি সেরে বাড়ি ফেরা হল না, দান্তেওয়াড়ায় নিহত বাঙালি জওয়ান]

মৃত ছাত্রীর মামি রীতা দাস জানান, বুধবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ওর চার বন্ধু-বান্ধবী পামি, গুড্ডু, সিতিশ ও প্রীত সায়নীকে ঠাকুর দেখতে যাবার নাম করে ডেকে নিয়ে যায়। ওরা সায়নীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে দীপ ব্রহ্মের হাতে তুলে দিয়েছিল বলে অভিযোগ মৃত ছাত্রীর মামির। দীপ বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে সায়নীকে খুন করে ওই পুকুরে ফেলে দিয়েছিল বলে অভিযোগ রীতাদেবীর। তিনি আরও জানান, ওইদিন রাতে ওঁর ফোনে বারংবার ফোন করলেও কেউ তা ধরেনি। চারিদকে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও কোনও সন্ধান মেলেনি।

Advertisement

বৃহস্পতিবার সকালে খড়দহ থানায় নিখোঁজের ডায়েরি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, এদিন সকালে ফের সায়নীর ফোনে ফোন করলে পাড়াই একটি ছেলে ফোনটি ধরে। ছেলেটি জানায় তার বাবা পুকুর পাড়ে ফোনটি কুড়িয়ে পেয়েছে। ফোন উদ্ধারের পরই নিখোঁজ রহস্য উদ্ঘাটিত হয়। এরপর পুকুর ঘাট থেকে মিলল সায়নীর জুতো। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে খড়দহ থানার পুলিশ এবং স্থানীয় কাউন্সিলর কৌশিক চট্টোপাধ্যায় আসেন। ডুবুরি নামিয়ে ওঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। যদিও পুলিশ ছাত্রীর মৃত্যুর কারন স্পষ্ট করে এখনই কিছুই বলতে চাইছে না। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই ওর মৃত্যুর প্ৰকৃত কারন জানা সম্ভব। যদিও পুলিশ মৃতার কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

[বন্দিদশা কাটিয়ে দীপাবলিতে ঘরে ফিরল ছেলে, খুশির হাওয়া গ্রামে]

প্রশ্ন উঠছে এটা যদি খুনের ঘটনা হয়, তাহলে কী কারনে সায়নীকে খুন করা হল। সন্দেহ হিসেবে উঠে আসছে, প্রেমের টানাপোড়েন নাকি ত্রিকোণ প্রেমের জেরে এই ঘটনা। প্রশ্ন উঠছে কে এই দীপ ব্রহ্ম? মৃত ছাত্রীর সঙ্গে কী সম্পর্ক ছিল দীপের। তাও জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। পুকুরপাড় এলাকার স্থানীয়রা জানান, ওইদিন গভীর রাতের দিকে মেয়েটির সঙ্গে ওর বন্ধু-বান্ধবীদের তীব্র বচসা হচ্ছিল। কিন্তু কী নিয়ে বচসা তা অবশ্য জানা যায়নি। ফলতঃ ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশায় স্থানীয়রা।

[শাসকদলের বিধায়ককে ফোনে প্রাণনাশের হুমকি, চাঞ্চল্য চন্দ্রকোণায়]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.