Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Tehatta

নতুন বছরে জীবসেবা! পিকনিকের টাকায় পথকুকুরদের খাইয়ে ‘হিরো’ তেহট্টের ২ বন্ধু

এলাকার সমস্ত জায়গায় খুঁজে খুঁজে পথ কুকুরদের কলাপাতায় সাজিয়ে খেতে দেন ওই দুই বন্ধু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১৯:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১৯:৫৭

options
link
নতুন বছরে জীবসেবা! পিকনিকের টাকায় পথকুকুরদের খাইয়ে ‘হিরো’ তেহট্টের ২ বন্ধু zoom
নিজস্ব ছবি

রমণী বিশ্বাস, তেহট্ট: স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, ‘জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।’ এবার, এই কথাকেই সত্যি প্রমাণ করলেন দুই যুবক। নতুন বছরের শুরুতে নিজেদের আনন্দের জন্য খরচ না করে সেই টাকা জমিয়ে পথ কুকুরদের খাওয়ালেন তাঁরা।

জানা গিয়েছে, ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গায় যুবকেরা মেতেছিল পিকনিকের আসরে। কিন্তু, নববর্ষে নিজেদের ব্যক্তিগত আনন্দকে দূরে সরিয়ে রেখে, নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তাঁরা। এই দুই বন্ধু পিকনিকে অংশগ্রহণ না করে সেই টাকায় খাবার তৈরি করে পথ কুকুরদের ভুরিভোজের আয়োজন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সারাদিন পথ কুকুরদের খাইয়েছেন তাঁরা। তেহট্ট চাতরপাড়ার দুই বন্ধু সন্দীপন মণ্ডল ও দেবব্রত বাইনের এই কাজে খুশি এলাকার পশুপ্রেমীরা। দুই বন্ধুর কাজের প্রশংসা করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষও।

Advertisement

বৃহস্পতিবার ছিল ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিন। বিভিন্ন জায়গায় সবাই যখন পিকনিকে ব্যস্ত, তখন সন্দীপন ও দেবব্রত অন্য পরিকল্পনা করে। জানা গিয়েছে, জমানো টাকা দিয়ে দুই বন্ধু বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে রান্না করে বেরন পথ কুকুরদের খাওয়ানোর জন্য। বাইক নিয়ে এলাকায় ঘুরে ঘুরে এই কাজ করেন তাঁরা। পথ কুকুরদের মেনুতে ছিল ভাত আর মুরগির মাংস। এলাকার সমস্ত জায়গায় খুঁজে খুঁজে পথ কুকুরদের কলাপাতায় সাজিয়ে খেতে দেন ওই দুই বন্ধু।

তাঁরা বলেন, “এবছর আমরা প্রথম থেকেই পথ কুকুরদের খাওয়ানো শুরু করলাম। সবাই পিকনিক করতে গিয়ে খরচ করে আনন্দ করছে। পিকনিক করতে গেলে কিছু অবাঞ্ছিত খরচ হয়ে যায়। তাই আমরা পিকনিকে না গিয়ে পিকনিকের খরচের সঙ্গে আরও কিছু টাকা যোগ করে পথ কুকুরদের জন্য রান্না করে, খাবার নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছি। পিকনিকের থেকেও যে এতে বেশি আনন্দ আছে তা কুকুরদের খেতে দেওয়াতে বুঝলাম।” এলাকার প্রায় একশো কুড়িটা পথ কুকুরকে এদিন খাওয়ানো সম্ভব হয়েছে। সমাজকর্মীরা জানিয়েছেন, ওই‌ দুই বন্ধুর কাজ খুব প্রশংসনীয়। এই ধরনের কাজে সবারই এগিয়ে আসা দরকার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.