নব্যেন্দু হাজরা: রাজ্যবাসীর জন্য সুখবর। চলতি মাসেই বাংলাজুড়ে জাঁকিয়ে পড়তে চলেছে ঠান্ডা। শনিবারই যার আভাস মিলল। এদিন শীতলতম দিনের সাক্ষী রইল কলকাতা। সকাল থেকেই গায়ে মোটা চাদর-শোয়েটার চাপিয়ে কর্মক্ষেত্রে বেরিয়েছেন সাধারণ মানুষ। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামী কয়েকদিনে আরও নামবে তাপমাত্রার পারদ।
বিহার ও ঝাড়খণ্ড দিয়ে দক্ষিণবঙ্গে বাধাহীন ভাবে ঢুকে পড়ছে উত্তুরে হাওয়া। তার জেরেই তাপমাত্রার পতন। কলকাতায় (Kolkata) এদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮.৭ ডিগ্রি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। রাতের তাপমাত্রা আরও কম থাকবে বলেই জানাচ্ছেন আবহবিদরা। এদিকে আজ উত্তর ২৪ পরগনার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি। সর্বনিম্ন ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
[আরও পড়ুন: ‘ব্রাত্য বসুর নির্দেশেই অতিরিক্ত শূন্যপদ’, হাই কোর্টে জানালেন শিক্ষাসচিব মণীশ জৈন]
কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) থেকেও তাপমাত্রা বেশ খানিকটা কম পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, আসানসোলে। এছাড়াও হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূমে রাতের দিকে কনকনে শীত (Winter) অনুভূত হবে। আলিপুর আবহাওয়া সূত্রে খবর, আগামী কয়েকদিনে কলকাতা-সহ এই জেলাগুলিতে আরও নামবে পারদ। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে তাপমাত্রা অন্তত ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমবে। অর্থাৎ ডিসেম্বরের আগেই যে বাংলায় কনকনে শীতের প্রবেশ ঘটতে চলেছে, তা বলে দেওয়াই যায়।
আগামী দিন পাঁচেক বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। ফলে উত্তুরে হাওয়া প্রবেশের পথে কোনও বাধাও নেই। হাওয়ার গতিপথ সাগরের দিকে রয়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পও ক্রমশ কমছে। এর ফলে শুষ্ক আবহাওয়া চলবে আগামী বেশ কয়েকদিন। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলাতেও নেমেছে তাপমাত্রার পারদ।
[আরও পড়ুন: ডেঙ্গু মিছিল ও স্মারকলিপি পেশকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপি হাতাহাতি, ধুন্ধুমার নৈহাটি পুরসভায়]
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
‘তেল পাবেন না, গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ’, লালকেল্লায় বিরোধীদের বিঁধলেন মোদি
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর