Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
আবহাওয়া

তীব্র দাবদাহে পুড়বে দক্ষিণবঙ্গ, উত্তরবঙ্গে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা

শনিবার ছিল মরশুমের উষ্ণতম দিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৯, ২১:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৯, ২১:১৪

options
link
তীব্র দাবদাহে পুড়বে দক্ষিণবঙ্গ, উত্তরবঙ্গে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তীব্র দাবদাহ থেকে এখনই নিস্তার নেই শহরবাসীর। শনিবার ছিল মরশুমের উষ্ণতম দিন। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে একথা জানানো হয়েছে। তবে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় হতে পারে কালবৈশাখী। রয়েছে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও।

সূর্যের তাপে এখন রীতিমতো দগ্ধ হচ্ছে শহরবাসী। সকাল থেকেই গরমে গলদঘর্ম দশা। বেলা বাড়তেই বাড়ছে অস্বস্তি। রোজ একই রুটিন। আকাশে মেঘের দেখা নেই। এরই মধ্যে আশা জাগিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় ফেনি। যদি এর প্রভাবে দু-চারদিন বৃষ্টি হয়, তাই বা কম কী! কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে সে গুড়েও বালি। হাওয়া অফিস বলছে, আগামী কয়েকদিন বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে। উলটে বাড়বে তাপমাত্রা। জেলায় জেলায় বইতে পারে লু। সেই সঙ্গে থাকবে আর্দ্র আবহাওয়া৷ ফলে ঘাম ঝরবে৷ গোটা উইকএন্ডে এমনই আবহাওয়া থাকবে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছেন আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের আবহবিদরা৷

Advertisement

[ আরও পড়ুন: ‘ভোটের দিন আদর-সোহাগ থাকবে’, শেষবেলার প্রচারে প্রেমের বাণী অনুব্রতর ]

শনিবার কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু পশ্চিমের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই পারদ চড়ে গিয়েছে ৪০ ডিগ্রির উপর। পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা শনিবার ছিল ৪০.৩, পানাগড়ে ৪১, আসানসোলে ৪১.১ ও বাঁকুড়ায় ৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে উত্তরবঙ্গের জন্য রয়েছে শুভ সংবাদ। উত্তরবঙ্গে পাঁচ জেলায় রয়েছে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস। রয়েছে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও। এছাড়া দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু বাকি জেলাগুলিতে বাড়বে গরম।

এই তীব্র গরম থেকে সুস্থ থাকতে চিকিৎসকরা একাধিক পরামর্শ দিচ্ছেন৷ বলা হচ্ছে, সকাল ৯টার পর থেকেই রোদ চড়তে থাকে৷ তাই বাইরের কাজ তার মধ্যেই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে৷ ওদিকে, বিকেল ৫টার পর রোদের তাত কমতে থাকে৷ ফলে ওই সময়ে কাজ করা খুব বিপজ্জনক নয়৷ কিন্তু বেলা ১২ টা থেকে ২ টো পর্যন্ত সময়টা রোদ এড়িয়ে চলতেই বলছেন চিকিৎসকরা৷ সুস্থ থাকতে হলে পর্যাপ্ত জল, হালকা খাবার খেতে হবে৷ তেষ্টা মেটাতে হাতের কাছে থাকা ঠান্ডা পানীয় না খেয়ে ডাবের জল, লস্যির উপর ভরসা রাখতে হবে৷ রোদে বেরোলে ছাতা, সানগ্লাস, সুতির পোশাক আবশ্যক৷ আলট্রা ভায়োলেটের তেজ থেকে চামড়া বাঁচাতে উচ্চ এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা৷ আর এসব অক্ষরে অক্ষরে মেনে চললে, গরমে দিনযাপন কিছুটা কষ্টকর হলেও, অসুস্থ হবেন না৷

[ আরও পড়ুন: মদনের বিরুদ্ধে ভাটপাড়ায় বিজেপি প্রার্থী অর্জুনপুত্র পবন ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.