সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হত্যার চক্রান্ত করছে এক জঙ্গিগোষ্ঠী। এক ছাত্রের মারফত এ কথা জানার পরই নড়েচড়ে বসেছে রাজ্যের গোয়েন্দা দপ্তর। পুরো ঘটনার তদন্তে নেমেছে কলকাতা পুলিশ।
[ ‘শুধু বাজিতে আপত্তি, আজানের শব্দদূষণ নিয়ে কেন প্রতিবাদ নেই?’ ]
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হত্যার ষড়যন্ত্রের কথা সামনে আনেন মুর্শিদাবাদের এক পলিটেকনিক ছাত্র। তাঁর কাছে হোয়্যাটসঅ্যাপে একটি মেসেজ আসে। সেখানে তাকে একটি জঙ্গি গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো নয়। মেসেজ পাওয়া মাত্র উত্তর দেন ওই ছাত্র। জানিয়ে দেন, এরকম কোনও কাজে তাঁর আগ্রহ নেই। তিনি যোগ দিতে চান না। তখনই পালটা মেসেজ করে জানানো হয়, ওই গোষ্ঠী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হত্যা করার ‘বরাত’ পেয়েছে। সে জন্যই সারা বাংলা জুড়ে সন্ত্রাসের জাল ছড়াতে চায়। অনেক জঙ্গি নিয়োগ করতে চায়। ফ্লোরিডা থেকে এই মেসেজ করা হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে ছাত্রটি নিজেও এধরনের মেসেজকে গুরুত্ব দেননি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নাম জড়িয়ে থাকায় আর কোনও ঝুঁকি নেননি।
[ যিশুর ভজনা ছেড়ে শক্তির সাধনা, সাহেবের পুজোয় মাতোয়ারা হ্যামিলটনগঞ্জ ]
মুখ্যমন্ত্রীকে খুনের পরিকল্পনা চলছে জানতে পেরেই পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ছাত্র। যদিও পুলিশও প্রথমে ঘটনার গুরুত্ব বুঝতে পারেনি। মশকরা মেসেজ হিসেবেই ভেবেছিল এই হুমকিকে। এমনকী ওই ছাত্রের অভিযোগও প্রাথমিকভাবে নেওয়া হয়নি বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে থানা থেকে বেরনো মাত্র জঙ্গি গোষ্ঠীর তরফে ছাত্রটিকে তাঁর লোকেশনের একটি স্ক্রিনশট পাঠানো হয়। জানানো হয়, পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার জন্য তাঁকেও দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। তাঁকে যে জঙ্গিরা চোখে চোখে রাখছে আঁচ করতে পারেন ছাত্রটি। এরপরই পরিচিত এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। তাঁকে খুলে জানানো পুরো ঘটনাটি। খবর পৌঁছায় রাজ্য গোয়েন্দা দপ্তরে। এ ধরনের হুমকির কথা গোয়েন্দাদের কানে কথা ওঠা মাত্র তৎপরতা তৈরি হয়। কে ওই ছাত্রকে এভাবে মেসেজ পাঠালো, কোন পরিকল্পনা ছকা হয়েছে, জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।
[ ইসলাম গ্রহণ করেও কেন সাধনা করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ? ]
সর্বশেষ খবর
-
টিআরপিতে বিরাট রদবদল! বেঙ্গল টপার ‘জোয়ার ভাঁটা’, সেরা দশে কোন কোন বাংলা মেগা?
-
‘নব্য তৃণমূলে’র উত্থানে ৫ জেলায় লন্ডভন্ড ঘাসফুল! কে কোন দিকে গেলেন?
-
‘কালা হিরণ’ ঘোষণা হতেই মুণ্ডচ্ছেদের হুমকি! সলমনের আইনি নোটিস ছিঁড়ে পালটা চ্যালেঞ্জ প্রযোজকের
-
দলে কথা বলার সুযোগ পাননি! ভোটে হেরে রাজনৈতিক সন্ন্যাসের সিদ্ধান্ত প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশিসের
-
‘বিজেপির দরজা বন্ধ, তাতেই দলটা…’, তৃণমূলের ভাঙনে অভিষেকের ‘দরজা’ মন্তব্য মনে করালেন দিলীপ