Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

কালীপুজোয় বিনামূল্যে থ্যালাসেমিয়া নির্ণয় শিবির করল এই ক্লাব

ক্লাবকর্তাদের সচেতনতামূলক উদ্যোগে খুশি বাগনানের বাসিন্দারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০১৮, ১৯:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০১৮, ১৯:০৩

options
link
কালীপুজোয় বিনামূল্যে থ্যালাসেমিয়া নির্ণয় শিবির করল এই ক্লাব zoom
বাগনানের ক্লাবে চলছে থ্যালাসেমিয়ার নির্ণয় শিবির।

সন্দীপ মজুমদার, উলুবেড়িয়া: বিবাহের আগে কোষ্ঠি বিচার নয়। প্রয়োজনে থ‍্যালাসেমিয়া রোগের বাহক নির্ণয় করা হোক। তাই দীপাবলি উৎসবের মধ‍্যেই উলুবেড়িয়াতে হয়ে গেল বিনামূল্যে থ্যালাসেমিয়ার নির্ণয় শিবির। আয়োজক বাগনান থানার বাকসী বীণাপাণি সংঘের সদস্যরা। ক্লাবের কর্মকর্তাদের উদ্যোগে বুধবার দিনভর চলল এই শিবির। পাঁচ বছরের শিশু থেকে শুরু করে অভিবাহিত যুবক যুবতী, সব মিলিয়ে মোট ১৪৩ জনের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হল।

ক্লাবের সম্পাদক সুজিত সামন্ত জানান, রক্ত দানের পাশাপাশি থ্যালাসেমিয়া রোগ নির্ণয়ও খুব জরুরি একটি বিষয়। গ্রামাঞ্চলের মানুষরা থ্যালাসেমিয়া নির্ণয়ের বিষয়ে অনেকটাই উদাসীন। তাই অকালেই পৃথিবী থেকে বহু অমূল্য জীবন হারিয়ে যায়। সেইসব মানুষকে সচেতন করতেই এই থ্যালাসেমিয়া নির্ণয় শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। শুধু উৎসবের আনন্দে গা ভাসানোর পাশাপাশি এই মারণ রোগ সম্পর্কেও মানুষকে সচেতন থাকতে হবে। এই মহতি উদ্যোগের পাশাপাশি মঙ্গলবারও ক্লাবে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। সেখানে ১৭২ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন।

Advertisement

[পরকীয়ার জের, স্ত্রীর প্রেমিককে নৃশংসভাবে খুন যুবকের]

এদিন বাগনানের পাশাপাশি আমতা থানার তাজপুর নেতাজি সুভাষ সংঘের উদ্যোগেও একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। মূলত থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তদের সাহায্যার্থে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে খবর। দীপাবলির মধ্যে ক্লাব কর্তাদের এহেন উদ্যোগে খুশি বাগনান ও আমতা থানা এলাকার বাসিন্দারা। তাঁরা জানিয়েছেন, গ্রাম্য এলাকায় থ্যালাসেমিয়া নিয়ে তেমন প্রচার নেই। ছেলে মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার পর যখন তাদের একজনের অসুস্থতা ধরা পড়ে, তখন অশান্তি শুরু হয়। শুধু রোগের কারণে অশান্তি নয়, অনেকেই মনে করেন রোগ লুকিয়ে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় রোগটির নামই শোনেনি অনেকে। সেক্ষেত্রে ক্লাব কর্তাদের এই উদ্যোগ অনেকটাই সচেতনতা বাড়াবে। এবার ছেলে মেয়ের বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া আছে কি না তা একবার পরীক্ষা করিয়ে নিলেই নিশ্চিন্ত হওয়া যাবে। বিয়ের পর কোনওরকম মানসিক অশান্তির মুখে পড়তে হবে না।

[দক্ষিণেশ্বর স্কাইওয়াকে গুটখার পিক, সমালোচনার ঝড় নেটদুনিয়ায়]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.