Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৩ জুলাই ২০২৬

কথা রাখেনি প্রশাসন, চাঁদা তুলে ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ স্থানীয়দের

রবিবারই আশি ফুট দীর্ঘ, আট ফুট চওড়া সেতুর ঢালাইয়ের কাজ শুরু হল৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৮, ২০:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৮, ২০:২০

options
link
কথা রাখেনি প্রশাসন, চাঁদা তুলে ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ স্থানীয়দের zoom

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ বা প্রশাসনিক একাধিক কর্তা ব্যক্তিকে জানিয়েও কিছু হয়নি। অবশেষে হাজার প্রতিকূলতায় নৌকার মাধ্যমে জলপথ পেরিয়ে প্রতিদিনের কাজকর্ম সারতে হত৷ এর থেকে মুক্তি পেতে অবশেষে জোট বাধলেন গ্রামের কয়েকশো বিড়ি শ্রমিক, জনমজুর, কৃষক, ব্যবসায়ী৷ এক হয়ে শ্রম দিয়ে, চাঁদা তুলে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে গড়ে তুললেন আস্ত একটা কংক্রিটের ব্রিজ৷

[হাতখরচ বাঁচিয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষদের অর্থ সাহায্য কলেজ পড়ুয়াদের]

রবিবার ছিল আশি ফুট দীর্ঘ, আট ফুট চওড়া সেতুর ঢালাইয়ের প্রথম দিন৷ নাকাশিপাড়া থানার বিলকুমারি কলোনি এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় চারটি পঞ্চায়েতের কয়েক হাজার মানুষের সহযোগিতায় এই অসাধ্য সাধন ঘটেছে কয়েক মাসের মধ্যেই৷ বিলকুমারি মূলত উদ্বাস্তু কৃষি প্রধান এলাকা। গ্রামটি পলাশীপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। প্রতিদিন পলসুন্ডা এক ও দুই, বার্ণিয়া, বিলকুমারি, হরনগর বা ধনঞ্জয়পুর পঞ্চায়েতের কিছুটা থেকে কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন৷ প্রায় এক কিমি হেঁটে বিলকুমারি বাসস্ট্যান্ড থেকে দেবগ্রাম বা জাতীয় সড়কের মুখে ওঠা যায়৷ খালকে ঘিরে থাকা গ্রামবাসীরা দীর্ঘকাল থেকে এ ব্যবস্থার মধ্যে পড়ে রয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বন্ধুর বোনের বিয়েতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু পলিটেকনিক পড়ুয়ার]

এর ফলে স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, রোগী-প্রসূতির যন্ত্রণা, দৈনন্দিন কাজে গ্রামবাসীদের সমস্যায় পড়তে হয়। প্রথমদিকে ঘাটে দুটি নৌকা থাকলেও, বর্তমানে একটি নৌকা আছে। সন্ধ্যার পর নৌকা থাকে না। এছাড়া ওপারে নৌকা যতক্ষণ ভর্তি না হয় মাঝি ততক্ষণ ছাড়ে না। নিঃসন্দেহে সময়ের অপচয় হয়। কাজের তাড়া থাকলে সমস্যা পড়তে হয়। হাতে সময় না নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়া যায় না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কলোনির বাসিন্দারা একাধিকবার পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ বা প্রশাসনিক কর্তাদের কাছে একাধিকবার গেলেও কোন সুরাহা হয়নি। বাধ্য হয়ে এলাকার মানুষ বারবার মিটিং করে একটি কমিটি তৈরি করে। সেখানেই ঠিক হয় এই প্রকল্পের কথা সকলকে জানান হবে। যার যেমন সামর্থ তেমন দেবে। একই সঙ্গে কলোনির মানুষ ব্রিজ গড়তে বিনা পারিশ্রমিকে শ্রম দেবে। সেই মতো ব্রিজ নির্মাণের কাজে নেমে পড়েন স্থানীয়রা৷

[উত্তরবঙ্গে কমছে হাতির সংখ্যা! ধন্দে খোদ বনকর্তারাই]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.