সন্দীপ মজুমদার, উলুবেড়িয়া: একটি হুমকি পোস্টারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল উদয়নারায়ণপুরের সীতাপুরে। পোস্টারে লেখা, ছিল, “তিনজন তোরা ঝান্ডা খুলেছিস। তোদের নাম জেনেছি, তোদের তিনজনকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। ইতি মানুষ।’’ অভিযোগ, মঙ্গলবার কেউ বা কারা স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস পার্থী চন্দন সরকারের কৃষি জমি লাগোয়া পরিত্যক্ত পাম্পিং হাউসে হাতে লেখা এই পোস্টার ঝুলিয়ে দিয়ে যায়। বক্তব্যের পাশাপাশি পোস্টারে তিনটি নরমুণ্ডর ছবি আঁকা রয়েছে। সাদা কাগজে লাল রঙে লেখা এই পোস্টার নজরে আসতেই আতঙ্কিত গোটা গ্রাম।
[সিউড়িতে শেখ দিলদার খুনে গ্রেপ্তার ৪ বিজেপি কর্মী]
উদয়নারায়ণপুর-হরালি গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসকদেলর প্রার্থী চন্দন সরকার। তাঁরই একটি পরিত্যক্ত পাম্পিং হাউস রয়েছে। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা সেই পাম্পিং হাউস ভেঙে দিয়ে তার উপরে পোস্টার লাগিয়ে দিয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় বিধায়ক সমীর পাঁজাকে জানিয়েছেন প্রার্থী চন্দন সরকার। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হরালি এলাকায় বিজেপির তরফে বেশকিছু দলীয় পতাকা লাগানো হয়েছিল। কয়েকদিন আগে সেই পোস্টারগুলো খুলে ফেলা হয়েছে। কারা খুলেছে তা স্পষ্ট নয়। তবে সেই পোস্টার খোলার পরে পরেই এই হুমকি পোস্টার দেখা গেল তৃণমূল প্রার্থীর পরিত্যক্ত পাম্পিং হাউসে। এই ঘটনায় আতঙ্কে ভুগছে গোটা এলাকা।

এদিকে প্রার্থী চন্দন সরকারের মুখ থেকে হুমকি পোস্টার সম্পর্কে বিশদে জেনেছেন তৃণমূল বিধায়ক সমীর পাঁজা। তিনি বলেন, নির্বাচনী ব্যস্ততার মধ্যে এখন ওই সব পোস্টারকে তাঁরা গুরুত্ব দিতে চান না। উদয়নারায়ণপুরের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এত সহজে ভেঙে ফেলা যাবে না। স্থানীয় বাসিন্দা শ্যামসুন্দর সরকার, কুমুদ হালদাররা জানান, বিজেপির পতাকা সরিয়ে নেওয়ার দু’দিনের মধ্যেই পোস্টার দেখা গেল। গোটা ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
ছবি- কার্তিক প্রামাণিক
[বনগাঁয় হেলমেট ছাড়াই বাইক মিছিল শাসকদলের কর্মী-সমর্থকদের]
সর্বশেষ খবর
-
হোয়াটসঅ্যাপেই বানিয়ে নিন আয়ুষ্মান ভারত কার্ড! লাগবে মোটে ৫ মিনিট, রইল পদ্ধতি
-
রাজ্যে বিনিয়োগের জোয়ার! আদানি, টোডির পর এবার শুভেন্দু-সাক্ষাতে সঞ্জীব গোয়েঙ্কা
-
স্যালাইন কাণ্ডের তদন্তে মেদিনীপুর মেডিক্যালে স্বাস্থ্যদপ্তরের টিম, দ্রুত রিপোর্ট তলব স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
-
জাকার্তার মন্দিরের শিবমূর্তিতে লুকিয়ে হাজার বছরের ইতিহাস, ঘুরে এলেন মোদি, যাবেন নাকি?
-
ট্রাম্পকেই ‘লালকার্ড’ ফুটবল বিশ্বের, তদন্তের মুখে ফিফার সর্বময় কর্তা