Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Burdwan

অগাধ সম্পত্তি নিয়ে চিন্তা থেকে অবসাদ, বর্ধমানে ৩ মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য

সম্পত্তিজনিত জটিলতায় মৃত্যু কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৩, ১৮:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৩, ১৮:০৫

options
link
অগাধ সম্পত্তি নিয়ে চিন্তা থেকে অবসাদ, বর্ধমানে ৩ মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য zoom

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: বাড়ির ডাইনিং রুমে পড়ে রয়েছে মা ও দুই মেয়ের নিথর দেহ (Deadbodies)। বাড়িতে ঢুকে তাঁদের অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের খবর দিয়েছিলেন বাড়ির আয়া। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তিন মহিলার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। বৃহস্পতিবার একসঙ্গে তিনজনের এহেন রহস্যমৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়াল বর্ধমান (Burdwan) শহরের কালনাগেট পীরপুকুর এলাকায়। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহগুলি উদ্ধার করে। পাশে একটি বিষের বোতলও পাওয়া গিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিশাল সম্পত্তির মালিক ছিলেন মা ও দুই মেয়ে। সেই জটিলতাই মৃত্যুর কারণ কি না, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

Advertisement

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতা মিলু ওরফে মৃণালিনী মণ্ডল (চৌধুরী)র বয়স ৭০ বছর। তাঁর মেয়ে বন্দিতা চৌধুরী (৪০) ও শঙ্খমিতা চৌধুরী (৩৩)। বর্ধমানের পীরপুকুর এলাকার এই বাড়িতে মৃণালিনী চৌধুরীর মা প্রতিভারাণী মণ্ডল একসঙ্গেই থাকতেন। তাঁকে দেখাশোনার জন্য রুপালি হাজরা নামে একজন পরিচারিকাকে নিয়োগ করা হয়েছিল। প্রতিদিনের মতো তিনি সকালে এসে ডাকাডাকি করার পর কোনও সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের খবর দেন। তাঁরা এসে দেখেন, বাড়ির একতলার ডাইনিং রুমে (Dinning room) উপর পরপর তিনজনের দেহ পড়ে। এরপর তাঁরাই পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বিষের বোতল উদ্ধার করেছে।

[আরও পড়ুন: অনির্বাণের সঙ্গে জুটিতে রানি মুখোপাধ্যায়, ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’র ট্রেলারে চমক]

মৃতদের আত্মীয়দের বক্তব্য, অতিমারীর (Corona virus) সময় মৃণালিনী চৌধুরীর স্বামী বিমলাক্ষ চৌধুরী মারা যান। তারপর থেকে প্রায় কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির দায়িত্ব তাঁদের উপর ছিল। সেই বিপুল সম্পত্তি ব্যবহার করা নিয়ে মা ও দুই মেয়ে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। সেই অবসাদ থেকেই তাঁরা আত্মহত্যার পথ বেছে থাকতে বলে অনুমান তাঁদের। গোপাল সোম নামে এক আত্মীয়ের বক্তব্য, “অর্থের কোনও অভাব নেই। অগাধ সম্পত্তি, অর্থ রয়েছে। তারপরেও ওঁরা কেন এমন করল, বুঝতে পারছি না আমরা।”

[আরও পড়ুন: ভাঁড়ারে টান! প্লেনারি সেশনে সদস্যদের বার্ষিক চাঁদার পরিমাণ বাড়াতে চলেছে কংগ্রেস]

মৃণালিনীর মামা বিশ্বনাথ মল্লিক বলেন, “আত্মহত্যা করেছে বলেই মনে হচ্ছে। কিন্তু কেন এমন করল, বুঝতে পারছি না। আমার দিদি (মৃণালিনীর মা) অ্যালঝাইমার রোগী। তাঁর দেখভালের জন্য আলাদা লোক রয়েছে। বর্ধমানে বিশাল সম্পত্তি। কলকাতার টালিগঞ্জে চারতলা বিশাল বাড়ি রয়েছে। নগদ, ব্যাংক, মিউচুয়াল ফান্ডে প্রচুর বিনিয়োগ রয়েছে। কোনও দিন কোনও অভাব ছিল না, এখনও নেই।” তিন মহিলার একসঙ্গে মৃত্যুর ঘটনার কিনারা করতে মরিয়া পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.