Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৯ জুলাই ২০২৬
Tarakeswar

সোমেই ভক্তদের মাথায় পুষ্পবৃষ্টি, ভিড়ে ঠাসা শ্রাবণী মেলায় প্রশাসনের কড়া পাহারা, একাধিক রাস্তায় ‘নো এন্ট্রি’

বিকল্প রুটে জরুরি পরিষেবা যেমন অ্যাম্বুল্যান্স, খাবার-দুধের গাড়ি যাতে অনায়াসে যাতায়াত করে পারে, তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন।

সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২৬, ১৪:১৪

link
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২৬, ১৪:১৪

options
link
সোমেই ভক্তদের মাথায় পুষ্পবৃষ্টি, ভিড়ে ঠাসা শ্রাবণী মেলায় প্রশাসনের কড়া পাহারা, একাধিক রাস্তায় ‘নো এন্ট্রি’ zoom
AI দ্বারা নির্মিত ছবি।
Advertisement

পরিবর্তনের বাংলায় এবার শ্রাবণী মেলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী সরকার। প্রথমবার এই মেলাকে জাতীয় উৎসবের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। তারকেশ্বর এবং শ্রাবণী মেলাকে ঘিরে রয়েছে ভক্তদের আবেগ এবং ভক্তি। লাখো লাখো শিবভক্ত এই সময় তারকেশ্বরে বাবার মাথায় জল ঢালতে যান। বিপুল সমাগমকে মাথায় রেখে প্রশাসনিক তৎপরতাও তুঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া নির্দেশিকা জারির পর পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে হুগলি জেলা প্রশাসন ও পুলিশ যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বাড়তি কড়াকড়ি শুরু করেছে। পুণ্যার্থীদের ভিড় সামাল দিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ‘নো এন্ট্রি’ ঘোষণা করে যান নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারণ মানুষের যাতে কোনও সমস্যা নয় তাই প্রশাসনের তরফে বিকল্প রাস্তারও বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এই বিকল্প রুটে জরুরি পরিষেবা যেমন অ্যাম্বুল্যান্স, খাবার-দুধের গাড়ি যাতে অনায়াসে যাতায়াত করে পারে, তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। সেই সঙ্গে পূর্ব ঘোষণা মতোই, কাল তেকে প্রতি সোমবার তারকেশ্বরে আসা ভক্তদের মাথায় পুষ্পবৃষ্টির আয়োজনও করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। ব্যবস্থায় নজরদারি চালাতে রবিবারই কপ্টারে গোটা তারকেশ্বর এলাকা পরিদর্শন করেন তারকেশ্বরের বিধায়ক সন্তু পান।

পুষ্পবৃষ্টির আগাম প্রস্তুতি নিতে কপ্টারে চেপে এলাকা পরিদর্শন বিধায়ক সন্তু পানের। নিজস্ব ছবি।

পুণ্যার্থীদের স্নানের জন্য গঙ্গার ১৪ টি ঘাটে বিশেষ পরিকাঠামো। তেমনই শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৭ কিলোমিটার যাত্রাপথে ৫ কিলোমিটার অন্তর একটি করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ব্যবস্থা। যেখানে ২৪ ঘণ্টা থাকবেন চিকিৎসক, মিলবে ওষুধও। হাসপাতালে পাঠানোরও জন্য অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা। গঙ্গায় দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেও রাখা হয়েছে ওয়াটার অ্যাম্বুল্যান্সেরও। রাস্তার প্রতি মোড়ে পুলিশ পোস্ট, মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে গাইড ম্যাপ। ছোট গলিতে সবজি বিক্রেতাদের সকাল ৯টা পর্যন্ত বসার অনুমতি। রাস্তার দু’ধারে বসানো হয়েছে ডাস্টবিন। ওয়াচ টাওয়ার থেকে নজরদারি চালাবে হুগলি গ্রামীণ ও কমিশনারেটের পুলিশ। 

প্রশাসন সূত্রে খবর, এবার শ্রাবণী মেলায় রেকর্ড ভক্তসমাবেগের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। ফলে জল এবং স্থলপথে পরিবহণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হয়েছে। পুণ্যার্থীদের স্নানের জন্য গঙ্গার ১৪ টি ঘাটে বিশেষ পরিকাঠামো যেমন তৈরি করা হয়েছে। তেমনই শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৭ কিলোমিটার যাত্রাপথে ৫ কিলোমিটার অন্তর একটি করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেখানে ২৪ ঘণ্টা থাকবেন চিকিৎসক, মিলবে ওষুধও। জরুরি প্রয়োজনে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানোরও জন্যও থাকছে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা। গঙ্গায় দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেও আগাম সতর্ক প্রশাসন, ব্যবস্থা রাখা হয়েছে ওয়াটার অ্যাম্বুল্যান্সেরও। রাস্তার প্রতি মোড়ে থাকবে পুলিশ পোস্ট, মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে গাইড ম্যাপও থাকবে রাস্তাজুড়ে। আগামিকাল শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার। শনিবার থেকে বাড়তি নজরদারি চলছে তারকেশ্বরে। ছোট গলিতে সবজি বিক্রেতাদের সকাল ৯টা পর্যন্ত বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিমাইতীর্থ ঘাট থেকে জল নিয়ে যে ভক্তরা হেঁটে যাবেন তারকেশ্বর, তাঁদের সুবিধার্থেই গোটা রাস্তা আলোয় মুড়ে ফেলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মেলার আগেই বৈদ্যবাটি-তারকেশ্বর রোড সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করেছে রাজ্যে পূর্ত দপ্তর। এলাকার পরিচ্ছন্নতার কথা মাথায় রেখে রাস্তার দু’ধারে বসানো হয়েছে ডাস্টবিন। যে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওয়াচ টাওয়ার থেকে নজরদারি চালাবে হুগলি গ্রামীণ ও কমিশনারেটের পুলিশ। শ্রাবণী মেলার জন্য ইতিমধ্যেই বাড়টি ট্রেন চালানোর কথা ঘোষণা করেছে পূর্ব রেল। তবে জলযাত্রীদের সুবিধার জন্য যান নিয়ন্ত্রণের নির্দেশিকা জারি করেছে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশ প্রশাসন সূত্রে খবর, জুলাই ও আগস্ট মাসজুড়ে শ্রাবণী মেলাকে প্রশাসনিক ভাবে শনি ও রবিবারকে গুরুত্বপূর্ণ ধরে নিয়ে ছ’টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে ১৪ থেকে ২০ জুলাই। দ্বিতীয় পর্বে ২৪ থেকে ২৭ জুলাই। তৃতীয় পর্বে ৩১ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট, চতুর্থ পর্বে ৭ আগস্ট থেকে ১০ আগস্ট, পঞ্চম পর্বে ১৪ থেকে ১৭ আগস্ট, ষষ্ঠ পর্বে ২২ থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত শ্বেতপুর মোড়, দিল্লি রোড, দীর্ঘাঙ্গী মোড় থেকে তারকেশ্বরের দিকে ১২ নম্বর রুট, ভদ্রেশ্বরের বিঘাটি মোড়, পিয়ারাপুর, চাঁপসরা, বৈদ্যবাটি–তারকেশ্বর রোড, চন্দননগর হাসপাতাল মোড় থেকে বৈদ্যবাটি চৌমাথায় যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এ ছাড়া ডালহৌসি জুটমিল, মঞ্জুশ্রী, রিষড়া মৈত্রীপথ, বাঘখাল পর্যন্ত নো এন্ট্রি থাকবে। চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বর থানা সীমানার মধ্যে মঞ্জুশ্রী মোড় থেকে বৈদ্যবাটি চৌমাথা হয়ে জিটি রোড, শ্রীরামপুর ও রিষড়া থানা সীমানার মধ্যে জোড়া অশ্বত্থতলা থেকে বাঘখাল, উত্তরপাড়া থানা সীমানায় বালিখাল থেকে বাঘখাল পর্যন্ত যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মূলত অটো, টোটো, ই–রিকশ, ইঞ্জিন ভ্যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তবে চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বর থানা এলাকায় বিকল্প রাস্তা হিসেবে পালপাড়া রোড, বিঘাটি মোড়, দিল্লি রোড হয়ে দর্জি মোড় দিয়ে যাতায়াত করা যাবে। শ্রীরামপুর ও রিষড়া থানা এলাকার মধ্যে অমূল্যকানন, প্রভাসনগর, শ্রীরামপুর বটতলা মোড়, জিতেন লাহিড়ী রোড ও ৪ নম্বর রেল গেটের রাস্তার কথা বলা হয়েছে।উত্তরপাড়া থানা এলাকার বিকল্প রাস্তা হিসেবে বিশালাক্ষ্মী মোড়, রেললাইন ধার, সুধীর ঘাট ও ধারসা মোড়ের কথা বলা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.