Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
অর্জুন

অনুব্রতর পালটা এবার অর্জুনকে ‘গৃহবন্দি’ করার দাবি তৃণমূলের

নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন বিধায়ক তাপস রায়৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০১৯, ১৯:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০১৯, ১৯:৩২

options
link
অনুব্রতর পালটা এবার অর্জুনকে ‘গৃহবন্দি’ করার দাবি তৃণমূলের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনুব্রতর পালটা অর্জুন সিং৷ এবার ভাটপাড়ার দোর্দণ্ডপ্রতাপ এই নেতাকে নজরবন্দি করার দাবি তুলল তণমূল৷ সূত্রের খবর, এই দাবি জানিয়ে ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল নেতা তথা বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়৷

[ আরও পড়ুন: ‘২৩ মে মমতা বুঝতে পারবেন কত ধানে কত চাল’, হুঙ্কার অর্জুন সিংয়ের]

Advertisement

পঞ্চম দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বারাকপুরে৷ সেদিনের নির্বাচনে শান্তি বজার রাখতে এবং সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের স্বার্থে এই দাবি জানানো হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রে খবর৷ মঙ্গলবার রাতে কাঁকিনাড়ায় আর্যসমাজ এলাকায় নির্বাচনী জনসভা করেন ভাটপাড়া উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী মদন মিত্র৷ যে সভাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা৷ চলে গুলি৷ ব্যাপক বোমাবাজি হয় সভাস্থলে৷ ভাঙচুর চালানো হয় একাধিক দোকানপাট ও ঘরবাড়িতে৷ ঘটনায় আহত হয়েছেন একজন। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, জনসভায় বক্তব্য রাখার সময়ে এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক ও বিজেপি নেতা অর্জুন সিং-কে অশ্রাব্য গালিগালাজ করেন তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্র। এমনকী, বিজেপি পার্টি অফিস লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়েন তাঁর অনুগামীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে কাঁকিনাড়ার আর্যসমাজ এলাকা। খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানো হয় ব়্যাফ ও কমব্যাট ফোর্স। আসে দমকলও। রাতের দিকে ঘটনাস্থলে যান ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার ও বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তৃণমূল সূত্রে খবর, এই ঘটনাকে উল্লেখ করেই কমিশনের কাছে অর্জুন সিংকে ‘গৃহবন্দি’ করার দাবি জানিয়েছে শাসকদল৷

[ আরও পড়ুন: ‘বাবা ভুলে যান, আমি পালটা ছুরি বসাতে জানি’, ফের বিস্ফোরক মুকুলপুত্র ]

উল্লেখ্য, চতুর্থ দফার নির্বাচনের একদিন আগে বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ‘গৃহবন্দি’ করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন৷ তাঁর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিলেন ভোটকর্মীদের একাংশ৷ এবং কয়েকটি রাজনৈতিক দল৷ কেড়ে নেওয়া হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলের ফোন৷ ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে তাঁর উপর চলছিল সর্বক্ষণ নজরদারি৷

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.