Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘আমি মমতার সৈনিক’, গোঁসা ছেড়ে একুশের মঞ্চে ডাকের অপেক্ষায় তাপসীর বাবা

নির্দল হয়ে ভোটে লড়লেও, তাপসীর জন্য তাঁকে ক্ষমা তৃণমূলনেত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০১৮, ১০:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০১৮, ১০:৩৭

options
link
‘আমি মমতার সৈনিক’, গোঁসা ছেড়ে একুশের মঞ্চে ডাকের অপেক্ষায় তাপসীর বাবা zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: হাতে তো আর মাত্র চার দিন। ২১ জুলাই তৃণমূলের এতবড় সমাবেশ। যাচ্ছেন?

“দল এখনও জানায়নি কিছু।”

Advertisement

আপনি তো নির্দল? ভোটেও তো লড়লেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে।

“না, না। সে তো সাময়িক একটু করে ফেলেছিলাম।”

তা হলে যাচ্ছেন?

“দেখি, দল আগে জানাক।”

আপনি নিজে কি যেতে চান?

“হ্যাঁ। আমি তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক। তিনি ছিলেন বলেই তো আমরা এটুকু সম্মান পেয়েছি। আমরা তো যেতেই চাই।”

তাপসী মালিকের বাবা সিঙ্গুরের বাজেমেলিয়ার এই মনোরঞ্জন মালিককে ক্ষমাই করে দিল তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু ক্ষমাই নয়, সব ভুলে ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে তাঁকে আবার আমন্ত্রণও জানাতে পারে তৃণমূল।

[  শক্তিগড়ের ল্যাংচা ব্যবসাকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে উদ্যোগ প্রশাসনের ]

পঞ্চায়েত ভোটে দলের টিকিট না পেয়ে বিক্ষোভ দেখিয়ে নির্দল দাঁড়িয়ে ভোটে লড়েছিলেন। হেরে যান যদিও। তারপরও দল তাঁকে কোনও কড়া কথা শোনায়নি। কিন্তু আলাদা করে কোনও যোগাযোগও রাখেনি। কিন্তু দলের অন্দরের খবর, তাঁর আচরণ নিয়ে তৃণমূল প্রথমে ক্ষুণ্ণ হলেও পরে আর সেসব পুষে রাখেনি। হুগলি জেলার এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, “পুরোটাই তাপসীর কথা ভেবে। তাপসীর উপর যা অন্যায় হয়েছিল, সে কথা ভেবেই দল আর মনোরঞ্জনকে নিয়ে অভিমান বা রাগ পুষে রাখেনি। তাপসীর জন্যই তার বাবাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

তা হলে মনোরঞ্জন আর তাঁর স্ত্রীকে কি একুশের মঞ্চে দেখা যাবে?

তৃণমূল বলছে, শহিদদের পরিবারকে ধর্মতলার এই কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি মৌখিকভাবে সেরে রাখাই হয়। পরে কর্মসূচির গায়ে গায়েই একে একে আমন্ত্রণের চিঠি গিয়ে পৌঁছয়। একুশের সভায় সব শহিদ পরিবারকে আমন্ত্রণ জানানো প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। চলছে চিঠি ছাড়ার কাজ। সেই অপেক্ষায় রয়েছেন  মনোরঞ্জনও। তিনি বলছেন, “এখনও চিঠি এসে পৌঁছয়নি। অন্যান্যবার ২১ জুলাইয়ের দিন দুয়েক আগে চিঠি হাতে পাই।” ১৯৯৩-এর ২১ জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে যে ১৩ জন শহিদ হয়েছিলেন, তাঁদের পরিবারকে ধরে এবার স্মৃতিকথনের ঢঙে কিছু ভিডিও বানিয়েছে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ওয়েব সেল। সেদিন কী ঘটনা ঘটেছিল, সেদিনের পর থেকে জীবন কীভাবে চলেছে, সবকিছু নিয়ে তৈরি ভিডিও দলের ফেসবুক পেজে তুলে ধরা হয়েছে।

[  মোদির সভার বিরোধিতা, কালো ব্যাজ পরে জেলায় জেলায় প্রতিবাদ কৃষকদের ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.