Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৪ জুন ২০২৬
ISF

‘ভয়ে’র ভাঙড়েও বদলের ছবি! খান-খান তৃণমূল, আইএসএফের দখলে একের পর এক পঞ্চায়েত

দীর্ঘদিন তৃণমূলের দখলে ছিল জাগুলগাছি পঞ্চায়েতটি। পঞ্চায়েতের মোট ২৮ জন সদস্য ছিলেন। কিন্তু আজ, শনিবার ২৫ জনই আইএসএফে যোগ দেন।

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৬, ১৯:১৬

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৬, ১৯:১৬

options
link
‘ভয়ে’র ভাঙড়েও বদলের ছবি! খান-খান তৃণমূল, আইএসএফের দখলে একের পর এক পঞ্চায়েত zoom

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলে শুরু হয়েছে গৃহদাহ! একের পর এক বিধায়ক-সাংসদ দল ছাড়তে শুরু করেছে। হাতছাড়া হতে চলেছে একের পর এক পুরসভা। এই অবস্থায় ভাঙন ধরতে শুরু করেছে তৃণমূলে হাতে থাকা পঞ্চায়েতগুলিতেও। একসময়ের ‘ভয়ে’র ভাঙড়েও একই ছবি! তৃণমূলের হাতে থাকা একের পর এক পঞ্চায়েত চলে যাচ্ছে আইএসএফের দখলে। ইতিমধ্যে শাকশহর, প্রাণগঞ্জ, বোদরার পঞ্চায়েতের দখল নিয়েছে নওশাদের দল। এরই মধ্যে ভাঙড়ের এক নম্বর ব্লকের আরও একটি পঞ্চায়েত দখল নিল আইএসএফ।

আইএসএফের অভিযোগ, ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভাঙড় এক নম্বর ব্লকের নটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সবকটিতেই তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিল। কোনওটিতেই নির্বাচন হয়নি। মূলত সন্ত্রাস, ভয় দেখিয়ে বিরোধীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে পালাবদল হতেই একেবারে ‘তাসের ঘরে’র মতো ভেঙে পড়েছে তৃণমূলশাসিত সেই সমস্ত পঞ্চায়েতগুলি।

দীর্ঘদিন তৃণমূলের দখলে ছিল জাগুলগাছি পঞ্চায়েতটি। পঞ্চায়েতের মোট ২৮ জন সদস্য ছিলেন। কিন্তু আজ, শনিবার ২৫ জনই আইএসএফে যোগ দেন। এরপরেই তৃণমূলের হাতে থাকা জাগুনগাছি পঞ্চায়েতে থাবা বসায় আইএসএফ। প্রধান হলেন তসলিমা বিবি আর উপপ্রধান হলেন অপর্ণা সর্দার। উল্লেখ্য ২০২৩ সালে তৃণমূল পঞ্চায়েত গঠন করার সময় এই দু’জনেই প্রধান এবং উপপ্রধান হিসাবে ছিলেন। তাদেরকেই এদিন ফের প্রধান এবং উপ-প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে আইএসএফের তরফে। এহেন দলবদলের পরেই ভাঙরের প্রত্যেকটি পঞ্চায়েতই কার্যত তৃণমূলের বেদখল হল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আইএসএফের অভিযোগ, ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভাঙড় এক নম্বর ব্লকের নটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সবকটিতেই তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিল। কোনওটিতেই নির্বাচন হয়নি। মূলত সন্ত্রাস, ভয় দেখিয়ে বিরোধীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে পালাবদল হতেই একেবারে ‘তাসের ঘরে’র মতো ভেঙে পড়েছে তৃণমূলশাসিত সেই সমস্ত পঞ্চায়েতগুলি। যার সুবিধা নিচ্ছে বিরোধীরা। তবে বিজেপির ঘোষিত নীতি অনুযায়ী, তৃণমূলের কোনও সদস্যকেই দলে নেওয়া হবে না। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভাঙড়ের বিভিন্ন জায়গাতে সমস্ত পঞ্চায়েত দখল নিয়েছে আইএসএফ। এই বিষয়ে এক পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, আমরা দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত গড়ার লক্ষ্যেই আগামীদিনে পথ চলব। এবং পঞ্চায়েত মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্যই থাকবে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.