Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
অন্ডাল

কাটমানির বিনিময়ে চাকরি! উপপ্রধানের বিরুদ্ধে বিডিও-র কাছে অভিযোগ গ্রামবাসীদের

অভিযোগ অস্বীকার উপপ্রধানের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০১৯, ১৮:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০১৯, ১৮:০৩

options
link
কাটমানির বিনিময়ে চাকরি! উপপ্রধানের বিরুদ্ধে বিডিও-র কাছে অভিযোগ গ্রামবাসীদের zoom

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: কাটমানি নিয়ে এবার চাকরি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের উপপ্রধানের বিরুদ্ধে। প্রশিক্ষণ নিয়েও চাকরি না পেয়ে মঙ্গলবার অন্ডালের বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন চাকরিপ্রার্থীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য অন্ডালের দক্ষিণখণ্ড গ্রামে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপপ্রধান। তিনি জানিয়েছেন, এমন কোনও ঘটনাই নাকি ঘটেনি। তাঁর ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করার জন্যই এমন ঘটনা ঘটানো হচ্ছে বলেও পালটা অভিযোগ করেন তিনি।

তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত অন্ডাল দক্ষিণখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অনন্ত ঘোষাল। তিনি কাটমানি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের অন্ডাল বিমাননগরীতে অস্থায়ী চাকরি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। এদিকে জমির বিনিময়ে চাকরির প্রশিক্ষণ নিয়ে বসে আছেন বহু চাকরিপ্রার্থী। তাঁদের অভিযোগ, জমি না দিয়ে, স্রেফ টাকার বিনিময়েই অন্ডাল বিমাননগরীতে অস্থায়ী চাকরি পেয়ে গিয়েছেন অনেকেই।  এমনকী, অভিযোগপত্রে এই রকম চারজন চাকরিপ্রার্থীর নামও উল্লেখ করেছেন অভিযোগকারীরা। কাটমানির বিনিময়ে চাকরির অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন অন্ডালের বিডিও ঋত্বিক হাজরা।  তিনি বলেছেন, “একটি অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

Advertisement

[ আরও পড়ুন: জঙ্গলে অবৈধ প্রবেশ, বাধা দিতে গিয়ে মৎস্যজীবীদের হাতে আক্রান্ত বনদপ্তরের আধিকারিক ]

জানা গিয়েছে,  এই প্রথমবার তৃণমূলের উপপ্রধান অনন্ত ঘোষালের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল, তা  কিন্তু নয়। এর আগেও বহু বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। বারবার দল তাঁকে নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছে বলেও অভিযোগ। কাটমানির অভিযোগ নিয়ে উপপ্রধান অনন্ত ঘোষ বলেন, “যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরাই এই চতুর্থ শ্রেণির পদে চাকরি করার জন্যে প্রশিক্ষণ নেননি। যাঁদের কাছে আমি কাটমানি নিয়েছি, তাঁরা কেন অভিযোগ করলেন না? প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ হয় না। প্রশাসনের তদন্তে যদি দোষী প্রমাণিত হই, তাহলে শুধু উপপ্রধান পদই নয়, দল থেকেও স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়াব।”

ছবি- উদয়ন গুহরায়

[ আরও পড়ুন: বনমহোৎসবের আগে গাছ বাঁচাতে গান বাঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.