সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দলীয় সভা থেকে ফের কর্মীদের সতর্ক করে দিলেন বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)। হুমকির সুরে বললেন, “কোনও ঔদ্ধত্য মেনে নেওয়া হবে না। অহংকারকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।” পাশাপাশি, ভুল-ত্রুটির জন্য জেলাবাসীর কাছে ক্ষমাও চেয়ে নেন তিনি। অনুরোধের সুরে বলেন, “কেউ মুখ ফেরাবেন না।”
বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে করোনা আবহেও বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু করেছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। একইভাবে মিটিং-মিছিল শুরু করেছে শাসকদলও। রবিবারই বীরভূমের সাঁইথিয়ায় একটি কর্মী সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। সেখান থেকেই এদিন দলের কর্মীদের সতর্ক করেন তিনি। বলেন, “কারও ঔদ্ধত্য মেনে নেওয়া হবে না।” কর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “যাঁরা অঞ্চল প্রধান রয়েছেন তাঁরা যদি ভেবে নেন আমরাই অঞ্চলের সব, তাহলে না মানুষ মানবে, না দল। আপনি যদি কথা না শোনেন মানুষও মানবে না, আমরাও মানবে না।”
[আরও পড়ুন: করোনার ‘হটস্পট’ বিয়েবাড়ি! সংক্রমিত অনেকে, জানাজানি হতেই আতঙ্কে কাঁটা পুরুলিয়া]
এরপরই মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি দলের পক্ষ থেকে বলছি, যদি আমার দলের কোনও কর্মী অন্যায় করে থাকে, আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। এটা পঞ্চায়েতের ভোট নয়। জেলা পরিষদের ভোট নয়। এটা মিউনিসিপ্যালিটির ভোট নয়। সবাই মমতা ব্যানার্জীর পাশে থাকুন।” সেইসঙ্গে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় না থাকলে বাংলায় অন্ধকার নেমে আসবে।” এদিনের সভা থেকেই বামেদেরও তোপ দাগেন অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু কেন হঠাত সুর নরম বীরভূমের তৃণমূল সভাপতির? এ নিয়ে কানাঘুষো শুরু করেছে বিরোধী শিবির।
[আরও পড়ুন: ‘একটা ফোনেই পুজোয় উপোস করা মেয়েটা ধর্ম পালটে জঙ্গি’, প্রজ্ঞার কার্যকলাপে স্তম্ভিত মা]
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে