Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Siliguri

গণেশপুজোর শোভাযাত্রায় মদ্যপ অবস্থায় অশালীন আচরণ! মেয়র পারিষদের পদ খোয়ালেন তৃণমূল নেত্রী

এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৫, ১৭:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৫, ১৭:৫১

options
link
গণেশপুজোর শোভাযাত্রায় মদ্যপ অবস্থায় অশালীন আচরণ! মেয়র পারিষদের পদ খোয়ালেন তৃণমূল নেত্রী zoom
অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর।

অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়, শিলিগুড়ি: গণেশ পুজোর বিসর্জনের শোভাযাত্রায় অশান্তি। মদ্যপ অবস্থায় অশালীন আচরণের অভিযোগ শিলিগুড়ি পুরসভার কাউন্সিলর শ্রাবণী দত্তের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। ‘শাস্তি’স্বরূপ মেয়র পারিষদের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল। আজ, মঙ্গলবার শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব সাংবাদিক বৈঠক করে এই বিষয় জানিয়েছেন। অভিযুক্ত কাউন্সিলর জানিয়েছেন, এটা দলের সিদ্ধান্ত।

জানা গিয়েছে, সোমবার গণেশপুজোর বিসর্জন ছিল শিলিগুড়ি পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে। ওই ওয়ার্ডেরই কাউন্সিলর শ্রাবণী দত্ত। ওই বিসর্জনের শোভাযাত্রা ঘিরে গতকাল রাতে অশান্তি হয়েছিল। অভিযোগ, শ্রাবণী দত্তের বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় দলেরই একাংশের উপর চড়াও হয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনার ভিডিও অংশ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। খবর পেয়ে মাঝরাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিলেন খোদ শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। ঘটনার বিচার না পেলে অনশনে বসার পাল্টা হুশিয়ারি দিয়েছিলেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর। তবে গোটা বিষয়টি নিয়ে দু’পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন মেয়র। ওই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় চর্চা।

Advertisement

তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শাস্তির খাঁড়া নেমে আসল মেয়র পারিষদ শ্রাবণী দত্তের উপর। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে মেয়র গৌতম দেব জানান, মেয়র পারিষদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। গৌতম দেব বলেন, “শিলিগুড়ি পুরনিগমের মেয়র পারিষদ থেকে শ্রাবণী দত্তকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। যতদিন না নতুন কোনও মেয়র পারিষদ হচ্ছেন ততদিন এই দপ্তরগুলো মেয়রের তত্ত্বাবধানে থাকবে।” তিনি আরও বলেন, “দলের নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত। ঘটনাটি অনভিপ্রেত এবং অবাঞ্ছিত ছিল। রাজ্যের সঙ্গে কথা হওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত।” অন্যদিকে, কাউন্সিলর শ্রাবণী দত্ত এই বিষয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “এটা দলের সিদ্ধান্ত। দল যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিক। আমি চেয়েছিলাম সবটা খতিয়ে দেখা হোক। সেটা যখন হল না, তবে আমি কী করব পরে জানাব।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.