Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
TMC

‘ধর্ষণের প্রমাণ দিন, নাহলে ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করে দেব’, হুঁশিয়ারি দিয়ে বিতর্কে মুর্শিদাবাদের TMC নেতা

নেতার মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছে সবমহল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২২, ১৭:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২২, ১৭:০১

options
link
‘ধর্ষণের প্রমাণ দিন, নাহলে ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করে দেব’, হুঁশিয়ারি দিয়ে বিতর্কে মুর্শিদাবাদের TMC নেতা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাটিয়া থেকে হাঁসখালি, একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড় গোটা বাংলা। এরই মাঝে বিতর্কির মন্তব্য করলেন মুর্শিবাদের (Murshidabad) ভগবানগোলার তৃণমূলের ব্লক সভাপতি। বললেন, “ধর্ষণ হলে প্রমাণ দেখাক। নাহলে মিছিল করলে ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করে দেওয়া হবে।”

হাঁসখালি কাণ্ড নিয়ে আলোচনা চলছে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে আন্দোলন। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায় হাঁসখালি কাণ্ডের প্রতিবাদে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল বামেদের তরফে। তা মোটেও ভাল ভাবে নেননি ভগবানপুর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি আফরোজ সরকার। সেই মিছিলের পরই বামেদের এক হাত নেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে একটি ভিডিও, যেখানে ধর্ষণ প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন আফরোজ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রেমিকের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়ে আদিবাসী নাবালিকাকে ‘গণধর্ষণ’, অভিযু্ক্ত ৫]

ঠিক কী বলেছেন আফরোজ? ভিডিওতে ওই তৃণমূল নেতা বলেন, “এভাবে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরানো যাবে না। যদি ধর্ষণ হয়, প্রমাণ দেখাক। তারপর আমরা পুলিশকে বলব। এমনি এমনি মিছিল করলেই তো হবে না।” এরপরই হুমকির সুরে আফরোজ বলেন, “বেশি বাড়াবাড়ি করলে ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করে দেব।” এই তৃণমূল নেতার মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছে সব মহল। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেছেন আফরোজ।

উল্লেখ্য, ৪ এপ্রিল নদিয়ার হাঁসখালিতে ঘটে গিয়েছে মর্মান্তিক ঘটনা। প্রেমিকের জন্মদিনের পার্টিতে এক নাবালিকা ধর্ষণের শিকার হয় বলে অভিযোগ। পরে রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যু হয় নির্যাতিতার। কাউকে না জানিয়েই দাহ করে দেওয়া হয় দেহ। পাঁচদিন পর এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তে নামে পুলিশ। তারপরই একের পর এক প্রকাশ্যে এসেছে একাধিক তথ্য। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ২ জন।

[আরও পড়ুন: ধর্ষণের চেষ্টার অপমান ঢাকতে গায়ে আগুন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নাবালিকা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.