Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

রাতের অন্ধকারে তৃণমূল নেতাকে ভোজালির কোপ, কাঠগড়ায় বিজেপি

রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মেটাতেই হামলা, অভিযোগ৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮, ১৬:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮, ১৬:০৬

options
link
রাতের অন্ধকারে তৃণমূল নেতাকে ভোজালির কোপ, কাঠগড়ায় বিজেপি zoom

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: রাতের অন্ধকারে তৃণমূল নেতাকে ভোজালির কোপ৷ অভিযোগের তির বিজেপি আশ্রিত আট দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে৷ ঘটনাস্থল বাঁকুড়া রায়পুর থানার বকসি এলাকা৷ আহত ওই তৃণমূল নেতার নাম চন্দন দণ্ডপাত৷ তিনি শাসকদলের অঞ্চল সভাপতি৷ গুরুতর জখম অবস্থায় রায়পুর ব্লক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি৷

[অপুষ্টি দূরীকরণে হাতিয়ার ১০০ দিনের প্রকল্পও, পোল্ট্রি গড়ে দিচ্ছে প্রশাসন]

Advertisement

জানা গিয়েছে, গতকাল বকসি এলাকায় ব্যক্তিগত কাজে যান চন্দন দণ্ডপাত৷ কাজ মিটিয়ে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি৷ এক পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন৷ হঠাৎই তিনটি বাইকে চেপে তাঁদের সামনে আটজন যুবক আসে৷ প্রথম দুটি বাইক চলে গেলেও, শেষ বাইক থেকে চন্দন বাবুর কাঁধের পিছনে ভোজালি দিয়ে কোপ মারা হয়৷ সঙ্গে সঙ্গে সেখানেই পড়ে যান তিনি৷ মুহূর্তের মধ্যে এমন ঘটনা ঘটে যাওয়ায় প্রথমে কিছুটা চমকে যান তাঁর পরিচিত ওই ব্যক্তি৷ পরে তিনিই এলাকাবাসীর সহায়তায় চন্দন দণ্ডপাতকে স্থানীয় রায়পুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যান৷ সেখানেই শুরু হয় তাঁর চিকিৎসা৷ সামান্য জ্ঞান ফিরলে প্রাণকৃষ্ণ সিংহ নামে এক দুষ্কৃতীর নাম বলতে পারেন চন্দন বাবু৷ সেই সূত্র ধরেই বাকি সাতজনেরও নাম অনুমান করা হয়৷ ঘটনায় রাজনৈতিক যোগ রয়েছে বলে এরপর রায়পুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি পুলক সিংহ৷ প্রাণকৃষ্ণ সিংহ ছাড়াও অভিযোগ দায়ের হয়েছে ভাস্কর বাগ, সুকুমার সিংহ, জীবন ঘোষ, সুব্রত সিংহ, মিঠুন মল্লিক ও সুমন সিংহের বিরুদ্ধে৷ পুলক সিংহ জানান, প্রাণকৃষ্ণ সিংহ আগে সিপিএম করলেও এখন বিজেপির সমর্থক৷ এলাকায় সন্ত্রাস তৈরি করতেই এই হামলা বলে অভিযোগ করেন তিনি৷

[‘ভুতুড়ে ট্রলার’ থেকে উদ্ধার ৪ হাজার লিটার চোরাই কেরোসিন, জুনপুটে চাঞ্চল্য]

স্থানীয় সূত্রে খবর, মাওবাদীদের সময় থেকেই জঙ্গল মহলের ওই এলাকা মাও ঘাঁটি বলে পরিচিত ছিল৷ তবে, ঢেকো গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ওই এলাকায় এখন গেরুয়া শিবিরের প্রভাব বেড়েছে৷ পঞ্চায়েতের এগারোটি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে দশটি আসন ও শাসকদল পেয়েছে মাত্র একটি আসন৷ তারপর থেকেই এলাকা উত্তপ্ত রয়েছে৷ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা স্তরে চড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ৷ মাও জমানার সন্ত্রাস ফিরিয়ে আনতে চাইছে বিজেপি৷ এমনই অভিযোগ করেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অরূপ খাঁ৷ যা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্র৷ ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার না হলেও, পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার সুখেন্দু মীনা৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.