Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

অশান্তির আবহে অন্য ছবি, বামপ্রার্থীদের পাহারাদার খোদ রায়নার তৃণমূল বিধায়ক

প্রতিরোধের মুখে পড়ে ভয় পেয়েছে, দাবি সিপিএমের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০১৯, ১৪:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০১৯, ১৪:০৫

options
link
অশান্তির আবহে অন্য ছবি, বামপ্রার্থীদের পাহারাদার খোদ রায়নার তৃণমূল বিধায়ক zoom
Advertisement

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: পঞ্চায়েত-অশান্তি আঁচ লেগেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়নাতেও। একদা বামদুর্গ বলে পরিচিত এই জনপদে শাসকদলের কর্মীরা তাঁদের মনোনয়ন পেশ করতে দিচ্ছিলেন না বলে অভিযোগ তুলেছিল সিপিএম। আর বিরোধীদের সেই অভিযোগকে মিথ্যা প্রমাণ করতে এক অভিনব কৌশল নিলেন রায়নার তৃণমূল বিধায়ক নেপাল ঘোড়ুই। রীতিমতো পাহারা দিয়ে বিডিও অফিসে নিয়ে যাওয়াই শুধু নয়, মনোনয়ন পেশের পর বামপ্রার্থীদের মিস্টিমুখও করালেন শাসকদলের বিধায়ক। যদিও বর্ধমানে সিপিএমের প্রাক্তন জেলা সম্পাদক অমল হালদারের দাবি, ‘ওরা বোমাগুলি নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমরা প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুত ছিলাম। আর তাতেই ওরা ভয় পেয়ে গিয়েছে।‘

[তৃণমূল নেতার চড়ের উত্তরে কামড় বিজেপি কর্মীর, আজব দাওয়াই আউশগ্রামে]

Advertisement

পঞ্চায়েত ভোটের পর্বে রাজ্যে জুড়ে এখন অশান্তির আবহ। সর্বত্রই শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও মনোনয়ন পেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। একদা বামদূর্গ বলে পরিচিত পূর্ব বর্ধমা্নে রায়নাতেও সিপিএমের অবস্থা তথৈবচ। গত কয়েক দিন ধরে শাসকদলের দাপটে বামপ্রার্থীরা মনোনয়ন পেশ করতে পারছিলেন না বলে অভিযোগ। সিপিএমের দাবি, শুক্রবার রায়না ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিসে যখন মনোনয়ন পেশ করতে যাচ্ছিলেন ৩৭ জন বামপ্রার্থী, তখন তাঁদের বাধা দেন শাসকদলের কর্মী-সমর্থকরা। কিন্তু, রায়নার তৃণমূল বিধায়ক নেপাল ঘোড়ুইয়ের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়। বলা ভাল, তাঁর অভিনব কৌশলে বিপাকে পড়ে যায় বিরোধীরাই। শুক্রবার সকালে রায়না ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিসের কাছে নতুনগ্রাম থেকে মিছিল করে মনোনয়ন পেশ করতে যাচ্ছিলেন বামপ্রার্থীরা। কিন্তু, মাঝপথে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি সেখানে যান এসডিপিও শৌভনিক মুখোপাধ্যায়। ঘটনাচক্রে, সেইসময়ে রায়না ২ নম্বর ব্লক অফিসে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক নেপাল ঘোড়ুই। ঘটনাস্থলে পৌঁছন তিনিও। এরপর বামপ্রার্থীদের একটি ট্রেকারে চাপিয়ে রীতিমতো এসকর্ট করে বিডিও অফিসে নিয়ে যান শাসকদলের বিধায়ক। নির্বিঘ্নেই মনোনয়ন পেশ করেন বিরোধী দলের প্রার্থীরা। শুধু তাই নয়, মনোনয়ন পেশের পর বামপ্রার্থীদের মিস্টিমুখও করান রায়নার তৃণমূল বিধায়ক নেপাল ঘোড়ুই। কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, ‘তৃণমূল তো বটেই, বিরোধীদের মনোনয়ন পেশ করতে সাহায্য করছে প্রশাসনও। কিন্তু, পঞ্চায়েতের এক-চতুর্থাংশ আসনে প্রার্থীই তো দিতে পারল না ওরা।’

[বাঁকুড়ায় আক্রান্ত বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, ডিএম অফিসের সামনে বেধড়ক মার]

শাসকদলের বিধায়কের ‘গান্ধীগিরি’-তে বিপাকে পড়েছে সিপিএম। একদা বামদুর্গ রায়নায় তৃণমূল বিধায়কের প্রহরায় মনোনয়ন জমা দিচ্ছেন সিপিএম প্রার্থীরাই!এ দৃশ্য চোখে দেখেও বিশ্বাস করতে পারছেন না অনেকেই। বর্ধমানে সিপিএমের প্রাক্তন জেলা সম্পাদক অমল হালদারের সাফাই, ‘ওরা বোমাগুলি নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমরা প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুত ছিলাম। আর তাতেই ওরা ভয় পেয়ে গিয়েছে।‘ তবে  নেতারাই যাই বলুন কেন, নির্বিঘ্নেই মনোনয়ন জমা দিতে পেরে খুশি সিপিএমের পঞ্চায়েত প্রার্থীরা।

ছবি: মুকলেশুর রহমান

[ভোটে অশান্তি নয়, বাউল-ঝুমুরেই শান্তির বার্তা লোকশিল্পীদের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.