Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
West Bengal Assembly Election 2026

ভোটের আগে হেল্পলাইন চালু বাঘমুন্ডির তৃণমূল বিধায়কের, ‘ফোন ধরবেন তো?’, কটাক্ষ বিজেপির

গত শনিবার সমাজমাধ্যম থেকে লাইভ করে বাঘমুন্ডির ওই তৃণমূল বিধায়ক তাঁর নিজের হেল্পলাইন নম্বর চালু করেন। তারপর থেকেই বাঘমুন্ডি বিধানসভা এলাকার সমস্যা নিয়ে একাধিক ফোন পাচ্ছেন বিধায়ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১৩:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১৩:২৩

options
link
ভোটের আগে হেল্পলাইন চালু বাঘমুন্ডির তৃণমূল বিধায়কের, ‘ফোন ধরবেন তো?’, কটাক্ষ বিজেপির zoom

তিনি একেবারে তরুণ। বয়স সবে ৪০ বছর। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক উত্থান একেবারে তরতরিয়ে। সেই সঙ্গে বিতর্কও। যখন থেকেই জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি হয়েছেন। তখন থেকেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। বিধায়ক হওয়ার পর আরও বেশি। তাঁর বিরুদ্ধে অন্যান্য অভিযোগের সঙ্গে অন্যতম উল্লেখযোগ্য, তিনি ফোন ধরেন না। শুধু সাধারণ মানুষজন নন। দলের নেতা-কর্মী থেকে আমলাদের পর্যন্ত। আর এই আবহেই ঠিক বিধানসভা ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) আগে সব সমস্যার মুশকিল আসানে হেল্পলাইন চালু করে আরও বিতর্কে জড়িয়েছেন বাঘমুন্ডির এই তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতো। তাঁর হেল্পলাইন নম্বর ৮৬৪৯৮৬৮৬৩৩। পুরুলিয়া জেলা বিজেপির কটাক্ষ, হেল্পলাইন নম্বর না হয় চালু করলেন, ফোনটা ধরবেন তো?

বাঘমুন্ডির তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতো। ফাইল ছবি

বিধানসভা ভোটের আগে সব সমস্যার মুশকিল আসানে হেল্পলাইন চালু করে আরও বিতর্কে জড়িয়েছেন বাঘমুন্ডির এই তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতো। তাঁর হেল্পলাইন নম্বর ৮৬৪৯৮৬৮৬৩৩। পুরুলিয়া জেলা বিজেপির কটাক্ষ, হেল্পলাইন নম্বর না হয় চালু করলেন, ফোনটা ধরবেন তো?

বিধায়ক সুশান্ত মাহাতো এর জবাবো দিয়েছেন। তাঁর কথায়, “হেল্পলাইনের ওই নম্বর বাঘমুন্ডি বিধানসভা কার্যালয়ে আমাদের কর্মীদের কাছে রয়েছে। যারা যে সমস্যা নিয়ে ফোন করছেন সেই সমস্যার কথা তালিকাভুক্ত হচ্ছে। তারপর আমাকে দেওয়া হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত যে কটি সমস্যা এসেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আমার বিধানসভার কয়েকটি এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা। সেগুলির সমাধানে ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।” কিন্তু ফোন যে তিনি ধরেন না বলে অভিযোগ, তার কী হবে? বরাবরের মতো এই প্রশ্নের জবাব অবশ্য তিনি এড়িয়েই যান।

Advertisement

গত শনিবার সমাজমাধ্যম থেকে লাইভ করে বাঘমুন্ডির ওই তৃণমূল বিধায়ক তাঁর নিজের হেল্পলাইন নম্বর চালু করেন। তারপর থেকেই বাঘমুন্ডি বিধানসভা এলাকার সমস্যা নিয়ে একাধিক ফোন পাচ্ছেন বিধায়ক। তবে ওই সমস্যার ফোনের মাঝে কিছু ফোন আসছে বিধায়কের হেল্পলাইন নম্বর আদৌ চালু হয়েছে, কিনা তা দেখে নেওয়ার জন্য। আর এতেই কটাক্ষ পুরুলিয়া জেলা বিজেপির সভাপতি শংকর মাহাতোর। তিনি বলেন, “বিধায়ক হেল্পলাইন নম্বর তো চালু করলেন। কিন্তু উনি ফোনটা ধরবেন তো? এই প্রশ্ন কিন্তু শুধু আমার নয়। বাঘমুন্ডির সাধারণ মানুষ-সহ তৃণমূলের ছোট-বড় সব নেতারই।”

হেল্পলাইন নম্বর চালু বিধায়কের। নিজস্ব ছবি

এই ফোন না ধরার জন্যই বাঘমুন্ডি বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক তথা পুরুলিয়া (Purulia) জেলা কংগ্রেস সভাপতি নেপাল মাহাতো ওই এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। তাঁর হেরে যাওয়ার অন্যতম কারণও এটি। তাই এখন ওই এলাকার মানুষজনই বলছেন, “বর্তমান বিধায়কও প্রাক্তন বিধায়ককে দেখেও শিক্ষা নিলেন না। এরপর ভোটে যা হওয়ার হবে।”

গত লোকসভা ভোটের ফলাফলের নিরিখে বাঘমুন্ডি বিধানসভা আসনে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। ওই বিধায়ককে ঘিরে তাঁর বিধানসভা এলাকায় দলের অন্দরেই ক্ষোভের চোরাস্রোত বইছে, এমন রিপোর্টও রয়েছে দলে। সম্প্রতি বাঘমুন্ডিতে বিজেপি সভা করে ওই বিধায়ককে রীতিমতো তুলোধোনা করে। তবে পালটা সভায় প্রত্যেকটি বিষয় ধরে ধরে তার জবাবও দিয়েছেন তরুণ বিধায়ক সুশান্ত মাহাতো। আর তারপরেই বিধায়কের এই হেল্পলাইন নম্বর চালু জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.