Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Paresh Ram Das

মাতলার চরে বৃদ্ধাশ্রম! ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ককে নোটিস

মহকুমা প্রশাসনের তরফে বৃদ্ধাশ্রমে ইতিমধ্যেই নোটিস দেওয়া হয়েছে। নোটিসটি মূলত বলা হয়েছে ১৮ তারিখের মধ্যে সমস্ত সরকারি কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত হতে হবে মহকুমাশাসকের অফিসে।

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ১৮:২৫

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ১৮:২৫

options
link
মাতলার চরে বৃদ্ধাশ্রম! ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ককে নোটিস zoom
ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ককে নোটিস

ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাসের বৃদ্ধাশ্রমে পড়ল সরকারি নোটিস। শুধু তাই নয় আশপাশে আরও বেশ কয়েকটি এলাকায় নোটিস দেওয়া হয়েছে। মাতলা নদীর চরে এই সমস্ত জায়গাগুলোতে কীভাবে জলাজমি ভরাট করে বাড়িঘর তৈরি করা হল তা জানতে চেয়েছেন মহকুমাশাসক। বিধায়ক পরেশরাম দাসের বৃদ্ধাশ্রম নিয়েও তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। উল্লেখ্য, ক্যানিংয়ের মতলার চরে বেশ কিছুটা জায়গা জুড়ে তৈরি হয় এই বৃদ্ধাশ্রম। ২০১৮ সাল নাগাদ এই বৃদ্ধাশ্রমের কাজ শুরু হয়। তারপর বেশ কিছু বৃদ্ধ এবং বৃদ্ধা এখানে থাকতে শুরু করেন। তৈরি করা হয় একটি ট্রাস্টি বোর্ড।

Pareshram-Das-2
ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের বৃদ্ধাশ্রম। নিজস্ব চিত্র

যে ট্রাস্টি বোর্ডের ৩৬ জন সদস্য সকলেই সরকারের কাছে পাট্টার জমির জন্য আবেদন করেন। আর এই পাট্টার জমিতেই গড়ে ওঠে বৃদ্ধাশ্রম সহ আশপাশ এলাকার উন্নয়ন। ইতিমধ্যেই ওই বৃদ্ধাশ্রমে ২২ জন বৃদ্ধ ও বৃদ্ধারা আছেন। সেই বৃদ্ধাশ্রমে নোটিস পড়ায় আতঙ্কিত বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিক রা। শুধু বৃদ্ধাশ্রমে নোটিস দেওয়া হয়েছে তাই নয় সেখানে বেশ কিছু উদীয়মান ফুটবলারদের নিয়ে তৈরি করা হয়েছে ফ্রি কোচিং ক্যাম্প। যে কোচিং ক্যাম্পে ৩৫ জন ফুটবলার থাকেন। বৃদ্ধাশ্রমের মধ্যেই আছে একটি পুলিশ ক্যাম্প। মূলত ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাসের মা চাঁদমণি দাসের নামে এই বৃদ্ধাশ্রমটি তৈরি করেন। পুরোপুরি বিনামূল্যে রাখা হয় এখানকার বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের। ৫৬০ জনকে নিয়ে একটি চাঁদমণি বৃদ্ধাশ্রম গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। যেখানে সকলেই আর্থিকভাবে সাহায্য করে থাকেন প্রত্যেক মাসে। প্রশাসনের আধিকারিক থেকে পুলিশ অফিসাররা সকলেই সাহায্য করেন এই বৃদ্ধাশ্রমকে।

Advertisement

এ বিষয়ে ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাস বলেন, “বৃদ্ধাশ্রমটি আমার কোন ব্যক্তিগত জিনিস নয়। এটি একটি ট্রাস্টি বোর্ডের নিয়ন্ত্রণেই আছে। শুধু তাই নয় আমরা সরকারের কাছে এই জমির পাট্টার জন্য আবেদন করেছিলাম। আর সেই পাট্টা পাওয়ার পর বৃদ্ধাশ্রমটি নতুনভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। আমাদের যা কাগজপত্র আছে, তা নিয়ে আমরা প্রশাসনের কাছে যাব।” উল্লেখ্য, মহকুমা প্রশাসনের তরফে বৃদ্ধাশ্রমে ইতিমধ্যেই নোটিস দেওয়া হয়েছে। নোটিসটি মূলত বলা হয়েছে ১৮ তারিখের মধ্যে সমস্ত সরকারি কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত হতে হবে মহকুমাশাসকের অফিসে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.