Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
June malia

দাঁতনে নতুন সেতুর শিলান্যাস, নিজের হাতে সিমেন্ট লেপে দিলেন সাংসদ জুন মালিয়া!

এই সেতুর জন্য ৫৫ লক্ষ টাকা খরচ হবে জুনের সাংসদ তহবিল থেকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০২৫, ১৩:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০২৫, ১৩:১৯

options
link
দাঁতনে নতুন সেতুর শিলান্যাস, নিজের হাতে সিমেন্ট লেপে দিলেন সাংসদ জুন মালিয়া! zoom
দাঁতনের চকইসলমাইলপুরে সেতুর শিলান্যাস জুন মালিয়ার। সোমবার। নিজস্ব ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তারকা জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে আজীবন রাজনীতির কারবারিদের কিঞ্চিৎ সমস্যা আছে। তাঁরা মনে করেন, তারকারা যত জনপ্রিয়, তত ভালো জনপ্রতিনিধি হতে পারেন না। কিন্তু এই চিরাচরিত ধারণা ভেঙে দিয়েছেন বাংলার তারকা বিধায়ক, সাংসদরা। জনতার ভোটে জিতে তাঁরা সকলেই জনতার জন্য মাঠে-ময়দানে নেমে কাজ করেছেন, করছেন।

দাঁতনে নতুন সেতুর শিলান্যাসে মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া। নিজস্ব ছবি।

তেমনই কৃতিত্বের অধিকারী মেদিনীপুর থেকে নির্বাচিত তৃণমূলের তারকা সাংসদ জুন মালিয়া। ভেঙে যাওয়া সেতু নতুন করে তৈরির কথা দিয়েছিলেন। সেই কথা রেখে দাঁতনে শিলান্যাস করলেন সেতুর। সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয়, শিলান্যাসের সময় নিজের হাতে ইট পেতে, সিমেন্ট লেপে দিলেন জুন মালিয়া! গ্ল্যামার জগতের ব্যক্তিত্বকে এভাবে দেখে মুগ্ধ গ্রামবাসীরা। অগাধ ভরসা রাখছেন তাঁর উপর।

Advertisement
নিজে হাতে সিমেন্টে লেপে দিলেন তারকা সাংসদ। নিজস্ব ছবি।

জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনের চকইসমাইল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একটি সেতু ভেঙে গিয়েছিল বেশ কয়েক বছর আগে। চোরপালিয়া গ্রামের লোকজন এতদিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতেন। তাঁদের দাবি ছিল, নতুন করে একটি সেতু তৈরি করার। সেই দাবির কথা কানে পৌঁছয় মেদিনীপুরের তারকা সাংসদ জুন মালিয়ার। তিনি নিজের সাংসদ তহবিল থেকে ৫৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেন নতুন সেতুর জন্য।

জুন মালিয়ার সাংসদ তহবিলের অর্থে চোরপালিয়া গ্রামে তৈরি হচ্ছে নতুন সেতু। নিজস্ব ছবি।

সোমবার সেই সেতুর শিলান্যাস অনুষ্ঠান ছিল। আমন্ত্রিত ছিলেন জুন মালিয়া। সেখানেই তাঁকে দেখা গেল, শিলান্যাসের জায়গায় ইট পেতে, নিজের হাতে সিমেন্টে লেপে দিতে। তাঁর সাংসদ তহবিলের টাকায় ব্রিজটি তৈরি হবে, তা জানিয়ে জুন মালিয়া বলেন, ”নতুন সেতু এমনভাবে তৈরি করা হবে যাতে অ্যাম্বুল্যান্সও সহজে যেতে পারে। তাই তা আগে যেমন ছিল, তার চেয়ে আরও চওড়া করা হচ্ছে।” এতদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় বেশ খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। বলছেন, ব্রিজ তৈরি হয়ে গেলে শুধু তাঁদেরই নয়, আশপাশের একাধিক গ্রামে যাতায়াতের সুবিধা হবে। লক্ষ্য আগামী বর্ষার মরশুমের মধ্যে কাজ শেষ করার। তাহলে বর্ষার জলে আর ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হবে না কাউকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.