Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
TMC MP Mahua Maitra slams BJP

‘বাঘিনী’ মমতা, বিজেপি ‘খেঁকশিয়াল’, অনুব্রতহীন বীরভূমে হুঙ্কার মহুয়ার

শুভেন্দুকে 'মহাচোর' বলে কটাক্ষ করেন দেবাংশু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২২, ২১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২২, ২১:৩৮

options
link
‘বাঘিনী’ মমতা, বিজেপি ‘খেঁকশিয়াল’, অনুব্রতহীন বীরভূমে হুঙ্কার মহুয়ার zoom

নন্দন দত্ত, রামপুরহাট: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘বাঘিনী’। বিজেপি ‘খেঁকশিয়াল’। অনুব্রতহীন বীরভূমের মল্লারপুরে হুঁশিয়ারি সাংসদ মহুয়া মৈত্রের। শুক্রবার বীরভূম ময়ূরেশ্বরের মল্লারপুর থানা এলাকার নিমিতলা মাঠে বিজেপির পালটা সভা করে তৃণমূল। সভায় উপস্থিত ছিলেন শতাব্দী রায়, অসিত মাল ও মহুয়া মৈত্র। এছাড়াও ছিলেন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, উপাধ্যক্ষ আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অনান্য বিধায়ক ও তৃণমূল নেতারা। ওই সভা থেকেই একথা বলেন সাংসদ।

বিজেপিকে কটাক্ষ করে মহুয়া (Mahua Maitra) বলেন, “বিজেপি খেঁকশিয়াল। সিংহের গর্জনে লেজ গুটিয়ে পালায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বাঘিনী। ২০২১ সালে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে। আগামী ভোটেও বিজেপিকে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে।” দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, “চোখে চোখ রেখে বিজেপিকে বাংলা ছাড়া করুন। মহারাষ্ট্র, বিহার এমনকি গুজরাটেও বিজেপির আর দম নেই। ভোটের আগে রাম-সীতার ঘোল খেয়ে ভোট দেবেন না। বাংলা ছাড়ার পরে আমরাই তাদের দেশছাড়া করব।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘সংযত হয়ে কথা বলা ভাল’, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি মন্ত্রী শোভনদেবের]

এদিনের অনুষ্ঠানে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “বিজেপি জানাচ্ছে ডিসেম্বরে মহা চোর ধরা পড়বে। কখনও বলছে সরকার পড়ে যাবে। আমি বলি সেই মহাচোর শুভেন্দু অধিকারী। তাকেই জেলে যেতে হবে। অসমে হিমন্ত বিশ্বকর্মা পাঁচ হাজার কোটি টাকা চুরি করেছেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী। বাংলায় নারদা থেকে পাঁচ কোটি টাকা নিয়েছেন শুভেন্দু। তাই তিনি বিরোধী দলনেতা। ওদের প্যাকেজ যে যেমন দেবে, তেমন পদ পাবে।”

মাত্র কয়েকদিন আগে অনুব্রতহীন বীরভূমে যান মিঠুন চক্রবর্তী। পঞ্চায়েত ভোটের আগে তাঁর জেলাসফরকে কটাক্ষ করেন দেবাংশু। তাঁর কথায়, “শীতঘুমে চলে যাবে জলঢোঁড়া। আর যদি মাথা তোলে তাহলে বাড়িতে লঙ্কাপোড়ার ঝাঁজ দেবেন। তাতেই সাপ পালাবে।” এদিনের অনুষ্ঠানের মঞ্চে দাঁড়িয়ে শতাব্দী রায় দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “লোকে বোঝালেই বুঝবেন না। আপনারা কী পেয়েছেন সেটা বুঝুন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা দিলে কথা রাখেন, বারেবারে আপনারা তা দেখেছেন। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন দলের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পঞ্চায়েতের পর লোকসভা ভোট। যে ভোটে বিজেপিকে দেশ ছাড়া করা যাবে।” আগামী বছরেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। সময় যত গড়াচ্ছে ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে তা এদিনের সভাতেই যেন স্পষ্ট হল। 

[আরও পড়ুন: শহরে শুরু বাংলাদেশ বইমেলা, ওপার বাংলাতেও কলকাতা বইমেলা হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.