Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Saayoni Ghosh

সাংসদ মিতালী বাগের মাতৃবিয়োগ, স্মৃতিতে ডুব আবেগপ্রবণ সায়নীর

X হ্যান্ডেলে সেই ছবিও শেয়ার করলেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫, ১৪:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫, ১৪:১১

options
link
সাংসদ মিতালী বাগের মাতৃবিয়োগ, স্মৃতিতে ডুব আবেগপ্রবণ সায়নীর zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: মাতৃহারা আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালী বাগ। এই পরিস্থিতিতে পুরনো দিনের কথা ভেবে স্মৃতিতে ডুব দিলেন আবেগপ্রবণ যাদবপুরের তারকা তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh)। X হ্যান্ডেলে সেই ছবিও শেয়ার করলেন তিনি।

সায়নী লেখেন, “আজ আমার অত্যন্ত মন খারাপের একটি দিন। আমার সহযোগী তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য, আরামবাগ কেন্দ্রের মাননীয়া সংসদ সদস্য শ্রীমতী মিতালী বাগের সদ্য মাতৃ বিয়োগের দুঃখ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে হচ্ছে। মা শব্দটির গুরুত্ব প্রত্যেকের কাছে অপরিসীম কিন্তু যেই মা অল্প বয়েসে স্বামীহারা হয়েও নিজের ত্যাগ ও দায়িত্ব পালন করে সুযোগ্য সন্তান তৈরি করেন তিনি অসাধারণ।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

স্মৃতিতে ডুব দিয়ে যাদবপুরের সাংসদ বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমি তাঁর স্নেহের স্পর্শ পেয়েছি। গত বছর এই সময়েতেই আমি তাদের গ্রামে এসেছিলাম। জেঠিমা আমাকে মাতৃস্নেহে কাছে টেনে নিয়েছিলেন। নিজের হাতে আমাকে রান্না করে খাইয়ে ছিলেন। আজ মিতালীদির এই অপূরণীয় ক্ষতি আমারও ব্যাক্তিগত শোক। জেঠিমার আত্মার শান্তি কামনা করি।” এই কঠিন সময়ে আরামবাগের সাংসদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন সায়নী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

উল্লেখ্য, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী থেকে লোকসভায় তৃণমূলের সৈনিক। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে দিল্লির লড়াইয়ে শামিল হয়েছিলেন আরামবাগের মিতালী বাগ। সাংসদ হিসাবে জায়গাও করে নিয়েছেন নিজের। অত্যন্ত গরিব পরিবারের সন্তান মিতালীর বেড়ে ওঠা মোটেও সহজ নয়। ছোটবেলা থেকে বারবার প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয় মিতালীকে। পড়াশোনায় ভালো ছিলেন। পড়াশোনার খরচ সামলাতে টিউশন করতেন। খুব কষ্ট করে মাস্টার্স করেন। শুধুমাত্র টাকার অভাবে মাস্টার্সের পর আর পড়াশোনা এগোতে পারেননি। ২০১৬ সালে বাবার মৃত্যু। সেই সময় থেকে জীবনের উত্থান-পতনে পাশে পেয়েছেন মাকে। সেই মাকেও হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন সাংসদ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.