স্টাফ রিপোর্টার: তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের মন্তব্য ঘিরে ফের বিতর্ক। শুক্রবার বরানগরে একটি বিজয়া সম্মিলনীতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “যদি কোনও একটা পার্টি খেলা-মেলায় চলে যায়, সেই পার্টির পলিটিক্যাল সেন্স চলে যায়। খেলা-মেলা করলে লোকে ওই নিয়ে মেতে থাকবে, পলিটিক্সটা করবে না।” তাঁর কথায়, “আমাদের মনে রাখতে হবে ৬ মাস পর নির্বাচন। জেতাটাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য, অন্য কিছু করবেন না।”
এ নিয়ে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া, “সৌগত রায় কোন প্রেক্ষাপটে কী বিষয় নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন আমি জানি না, তাই ওঁর এই মন্তব্য নিয়ে আমি এখন কিছু বলব না।” তাঁর কথায়, “খেলা বা মেলা হল সামাজিক অন্যতম প্রধান কর্মসূচি। যখন কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকে না, তখন জনসংযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হল এই খেলা বা মেলা। স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সামাজিক কর্মসূচিকে হাতিয়ার করে জনসংযোগ বাড়াতে বলেন। আর মেলা হল অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধির একটি প্রধান মাধ্যম, এতে বহু সাধারণ গরিব মানুষের উপার্জনও হয়।”
সৌগতের মন্তব্যকে অবশ্য অভিভাবক সুলভ পরামর্শ হিসাবে দেখছেন তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, “কোন প্রেক্ষিতে তিনি এই মন্তব্য করেছেন সেটা দেখা জরুরি। এটা তো ঠিকই যে কোনও দলীয় নেতা-কর্মী যদি শুধুই অনুষ্ঠান নিয়ে মেতে থাকেন, তা হলে দলের কাজ করবেন কখন! সৌগত রায় অভিভাবকের মতোই পরামর্শ দিয়েছেন।” বলে রাখা ভালো, এর আগেও দমদমের সাংসদের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা